Editorial News 24

কিশোরগঞ্জের ৬ আসন: সাবেক রাষ্ট্রপতি হামিদের শ্যালক জামায়াতের প্রার্থী, দুটি আসনে এখনো প্রার্থী দেয়নি বিএনপি

🔔 নতুন তথ্য ও খবর পেতে এখনই আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় যুক্ত হোন।

কিশোরগঞ্জের ৬ আসন: সাবেক রাষ্ট্রপতি হামিদের শ্যালক জামায়াতের প্রার্থী, দুটি আসনে এখনো প্রার্থী দেয়নি বিএনপি কিশোরগঞ্জের ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে কিশোরগঞ্জ-১ ও কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে এখনো প্রার্থী ঘোষণা করেনি বিএনপি। এ কারণে দুই আসনেই অন্তত ১৬ জন মনোনয়নপ্রত্যাশী মাঠে নেমে সক্রিয়ভাবে সভা-সমাবেশ, মিছিল ও নানা কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন। দলের শরিক কোনো এক দলকে কিশোরগঞ্জ-৫ আসনটি ছেড়ে দেওয়ার কথাও আলোচনায় রয়েছে। এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রায় ৯ মাস আগে জামায়াতে ইসলামী ছয়টি আসনেই প্রার্থী ঘোষণা করে সক্রিয় প্রচারণা চালাচ্ছে। পাশাপাশি এনসিপি, গণ অধিকার পরিষদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, সিপিবি ও গণসংহতি আন্দোলনের নেতারাও নির্বাচনী প্রস্তুতি নিচ্ছেন। পূর্ববর্তী নির্বাচনব্যবস্থা: ১৯৯১ সালের নির্বাচনে সাতটি আসনের মধ্যে বিএনপি পাঁচটিতে ও আওয়ামী লীগ দুটিতে জয়ী হয়। ১৯৯৬ সালে বিএনপি দুটি ও আওয়ামী লীগ পাঁচটিতে, ২০০১ সালে বিএনপি দুটি ও আওয়ামী লীগ পাঁচটিতে জেতে। ২০০৮ সালে আসন কমে ছয়টি হয়, যেখানে আওয়ামী লীগ পাঁচটি ও জাতীয় পার্টি একটি আসনে জয়ী হয়। কিশোরগঞ্জ-১ (সদর–হোসেনপুর) এ আসনে বিএনপি এখনো প্রার্থী ঘোষণা করেনি। মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে রয়েছেন— রেজাউল করিম খান (চুন্নু), সাবেক সহসভাপতি মাজহারুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ওয়ালীউল্লাহ রাব্বানী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাসুদ হিলালী, সাবেক সংসদ সদস্য রুহুল হোসাইন, সাবেক সহসভাপতি খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি জহিরুল ইসলাম, হোসেনপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক এম আতিকুর রহমান, সাবেক জেলা সদস্য জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে মোসাদ্দেক আলী ভূঁইয়া প্রচারণায় ব্যস্ত। এছাড়া গণ অধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য আবু হানিফও প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী–পাকুন্দিয়া) এ আসনে বিএনপি এবার প্রার্থী করছে পাকুন্দিয়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সাবেক মেয়র জালাল উদ্দীনকে। তাঁর দাবি, আসনে দলের সবাই ঐক্যবদ্ধ। তবে দলীয় সূত্র বলছে, প্রকাশ্যে কেউ আপত্তি না করলেও অন্তরালে অনেকেই তৎপর। জামায়াতের প্রার্থী: শফিকুল ইসলাম মোড়ল। কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ–তাড়াইল) এ আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ও ভাইস চেয়ারম্যান এম ওসমান ফারুক। তিনি জানান, বিগত সরকারের মানবতাবিরোধী অভিযোগে তাঁকে দেশত্যাগে বাধ্য করা হয়েছিল এবং প্রায় আট বছর যুক্তরাষ্ট্রে কাটাতে হয়। ২০০৮ সালে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা। তিনিও এবার মনোনয়ন প্রত্যাশী। জামায়াতের প্রার্থী: কর্নেল (অব.) জেহাদ খান—সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের শ্যালক। তিনি জানান, মানুষের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন। এ আসনে জাতীয় পার্টির সাবেক মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নুও নির্বাচন করতে পারেন। কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা–মিঠামইন–অষ্টগ্রাম) এ আসনে বিএনপির প্রার্থী আইনজীবী মো. ফজলুর রহমান। মনোনয়ন নিয়ে আপত্তি জানিয়ে আব্দুর রহিম মোল্লা দাবি করছেন—ফজলুর রহমানকে মনোনয়ন দিলে স্বৈরাচারী আদর্শ প্রতিষ্ঠার সুযোগ থাকবে। ফজলুর রহমান বলেন, তাঁর জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে বিরোধীরা অপপ্রচার চালাচ্ছে। জামায়াতের প্রার্থী: শেখ রোকন রেজা—ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য। কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর–নিকলী) এ আসনে এখনো প্রার্থী দেয়নি বিএনপি। সম্ভবত শরিক দলকে আসনটি দেওয়া হতে পারে। শরিকদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন— হাসনাত কাইয়ুম, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক সৈয়দ এহসানুল হুদা, বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীরা— শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল, জি এস মীর জলিল, এহসান কুফিয়া, মো. আবদুল ওয়াহাব, বদরুল মোমেনসহ অন্তত আটজন। জামায়াতের প্রার্থী: জেলা আমির রমজান আলী। কিশোরগঞ্জ-৬ (ভৈরব–কুলিয়ারচর) এ আসনে বিএনপির প্রার্থী কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সভাপতি মো. শরীফুল আলম। তিনি পঞ্চমবারের মতো নির্বাচন করছেন। জামায়াতের প্রার্থী: কবির হোসাইন—ভৈরব উপজেলা জামায়াতের আমির। প্রথমবার নির্বাচনে দাঁড়াচ্ছেন। শরীফুল আলম দাবি করছেন, আগামী নির্বাচনে জেলার সব আসনেই বিএনপি জয় পাবে।
Picture of Desk Reporter

Desk Reporter

কিশোরগঞ্জের ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে কিশোরগঞ্জ-১ ও কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে এখনো প্রার্থী ঘোষণা করেনি বিএনপি। এ কারণে দুই আসনেই অন্তত ১৬ জন মনোনয়নপ্রত্যাশী মাঠে নেমে সক্রিয়ভাবে সভা-সমাবেশ, মিছিল ও নানা কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন। দলের শরিক কোনো এক দলকে কিশোরগঞ্জ-৫ আসনটি ছেড়ে দেওয়ার কথাও আলোচনায় রয়েছে।

এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রায় ৯ মাস আগে জামায়াতে ইসলামী ছয়টি আসনেই প্রার্থী ঘোষণা করে সক্রিয় প্রচারণা চালাচ্ছে। পাশাপাশি এনসিপি, গণ অধিকার পরিষদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, সিপিবি ও গণসংহতি আন্দোলনের নেতারাও নির্বাচনী প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

পূর্ববর্তী নির্বাচনব্যবস্থা:
১৯৯১ সালের নির্বাচনে সাতটি আসনের মধ্যে বিএনপি পাঁচটিতে ও আওয়ামী লীগ দুটিতে জয়ী হয়। ১৯৯৬ সালে বিএনপি দুটি ও আওয়ামী লীগ পাঁচটিতে, ২০০১ সালে বিএনপি দুটি ও আওয়ামী লীগ পাঁচটিতে জেতে। ২০০৮ সালে আসন কমে ছয়টি হয়, যেখানে আওয়ামী লীগ পাঁচটি ও জাতীয় পার্টি একটি আসনে জয়ী হয়।


কিশোরগঞ্জ-১ (সদর–হোসেনপুর)

এ আসনে বিএনপি এখনো প্রার্থী ঘোষণা করেনি। মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে রয়েছেন—

  • রেজাউল করিম খান (চুন্নু), সাবেক সহসভাপতি
  • মাজহারুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক
  • ওয়ালীউল্লাহ রাব্বানী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক
  • মাসুদ হিলালী, সাবেক সংসদ সদস্য
  • রুহুল হোসাইন, সাবেক সহসভাপতি
  • খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি
  • জহিরুল ইসলাম, হোসেনপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক
  • এম আতিকুর রহমান, সাবেক জেলা সদস্য

জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে মোসাদ্দেক আলী ভূঁইয়া প্রচারণায় ব্যস্ত। এছাড়া গণ অধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য আবু হানিফও প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।


কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী–পাকুন্দিয়া)

এ আসনে বিএনপি এবার প্রার্থী করছে পাকুন্দিয়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সাবেক মেয়র জালাল উদ্দীনকে। তাঁর দাবি, আসনে দলের সবাই ঐক্যবদ্ধ।

তবে দলীয় সূত্র বলছে, প্রকাশ্যে কেউ আপত্তি না করলেও অন্তরালে অনেকেই তৎপর।

জামায়াতের প্রার্থী: শফিকুল ইসলাম মোড়ল।


কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ–তাড়াইল)

এ আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ও ভাইস চেয়ারম্যান এম ওসমান ফারুক।
তিনি জানান, বিগত সরকারের মানবতাবিরোধী অভিযোগে তাঁকে দেশত্যাগে বাধ্য করা হয়েছিল এবং প্রায় আট বছর যুক্তরাষ্ট্রে কাটাতে হয়।

২০০৮ সালে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা। তিনিও এবার মনোনয়ন প্রত্যাশী।

জামায়াতের প্রার্থী: কর্নেল (অব.) জেহাদ খান—সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের শ্যালক। তিনি জানান, মানুষের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন।

এ আসনে জাতীয় পার্টির সাবেক মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নুও নির্বাচন করতে পারেন।


কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা–মিঠামইন–অষ্টগ্রাম)

এ আসনে বিএনপির প্রার্থী আইনজীবী মো. ফজলুর রহমান।
মনোনয়ন নিয়ে আপত্তি জানিয়ে আব্দুর রহিম মোল্লা দাবি করছেন—ফজলুর রহমানকে মনোনয়ন দিলে স্বৈরাচারী আদর্শ প্রতিষ্ঠার সুযোগ থাকবে।
ফজলুর রহমান বলেন, তাঁর জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে বিরোধীরা অপপ্রচার চালাচ্ছে।

জামায়াতের প্রার্থী: শেখ রোকন রেজা—ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য।


কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর–নিকলী)

এ আসনে এখনো প্রার্থী দেয়নি বিএনপি। সম্ভবত শরিক দলকে আসনটি দেওয়া হতে পারে।

শরিকদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন—

  • হাসনাত কাইয়ুম, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক
  • সৈয়দ এহসানুল হুদা, বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান

বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীরা—
শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল, জি এস মীর জলিল, এহসান কুফিয়া, মো. আবদুল ওয়াহাব, বদরুল মোমেনসহ অন্তত আটজন।

জামায়াতের প্রার্থী: জেলা আমির রমজান আলী।


কিশোরগঞ্জ-৬ (ভৈরব–কুলিয়ারচর)

এ আসনে বিএনপির প্রার্থী কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সভাপতি মো. শরীফুল আলম। তিনি পঞ্চমবারের মতো নির্বাচন করছেন।

জামায়াতের প্রার্থী: কবির হোসাইন—ভৈরব উপজেলা জামায়াতের আমির। প্রথমবার নির্বাচনে দাঁড়াচ্ছেন।

শরীফুল আলম দাবি করছেন, আগামী নির্বাচনে জেলার সব আসনেই বিএনপি জয় পাবে।

জোরালোভাবে সুপারিশকৃত -

সাম্প্রতিক পোস্ট -

বিজ্ঞাপন

বিশেষ সংবাদ নিয়ে আরও পড়ুন-

বিজ্ঞাপন

রাজনীতি নিয়ে গভীরতর ধারণার জন্য আরও পড়ুন-

🌟 আমাদের সাথে যুক্ত থাকতে এখনই সাবস্ক্রাইব করুন