জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) প্রথম দিনেই চার ব্যাটারের সেঞ্চুরিতে জমে উঠেছে ঘরোয়া ক্রিকেটের আসর। খুলনা বিভাগ বনাম বরিশাল বিভাগের ম্যাচ ছাড়া বাকি তিন ভেন্যুতেই দেখা গেছে সেঞ্চুরির ফুলঝুরি। রাজশাহীর বিপক্ষে চট্টগ্রামের হয়ে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করেছেন মাহমুদুল হাসান জয় ও ইয়াসির আলী রাব্বি। অন্যদিকে ময়মনসিংহের আরিফুল ইসলাম এবং ঢাকার মার্শাল আয়ুব নিজেদের ইনিংসকে তিন অঙ্কে নিয়ে গেছেন।
রাজশাহী বিভাগীয় স্টেডিয়ামে ব্যাট হাতে দারুণ সূচনা করেন জয়। ওপেনিংয়ে নামা এই ব্যাটার ১৬৫ বলে ১৫ চার ও ২ ছয়ে ১২৭ রান করেন। সাদিকুর রহমান, মুমিনুল হক ও শাহাদাত হোসেন দিপুর সঙ্গে তিনটি কার্যকর জুটি গড়ার পর তাইজুল ইসলামের বলে বিদায় নেন তিনি। এরপর ইয়াসির আলী রাব্বি নামেন পাঁচ নম্বরে এবং আরও আক্রমণাত্মক ইনিংস খেলেন। ১৩৮ বলে ১০ চার ও ৬ ছয়ে ১২৯ রান করে এসএম মেহরবের শিকার হন তিনি।
ইরফান শুক্কুরের ব্যাট থেকে আসে ৭২ রান, আর এই তিনজনের পারফরম্যান্সে চট্টগ্রাম তোলে ৪০১ রানের বিশাল সংগ্রহ। রাজশাহীর বোলার তাইজুল ইসলাম ১৫৯ রানের বিনিময়ে নেন ৪ উইকেট। জবাবে ব্যাট হাতে নেমে রাজশাহী দিন শেষ করেছে ১ রানে ২ উইকেট হারিয়ে।
অন্যদিকে সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে নবাগত দল ময়মনসিংহের হয়ে আরিফুল ইসলাম করেন ধৈর্যশীল সেঞ্চুরি। ২০৮ বলে ১০১ রান আসে তার ব্যাট থেকে। মাহফিজুল ইসলাম, নাইম শেখ ও আইচ মোল্লা ব্যর্থ হলেও আবদুল মজিদ (৬৫) ও তাহজিবুল ইসলাম (৪৩) কিছুটা সহায়তা দেন। দিন শেষে ময়মনসিংহের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ২৬৮ রান। সিলেটের পেসার খালেদ আহমেদ নেন ৩ উইকেট।
দিনের আরেক সেঞ্চুরি আসে ঢাকার ব্যাটার মার্শাল আয়ুবের ব্যাটে। রংপুরের বিপক্ষে তিনি ১৬১ বলে ১০৫ রান করেন। জিশান আলমের ব্যাট থেকেও আসে মূল্যবান ৭১ রান। তবে দলটি সবকটি উইকেট হারিয়ে করে ২২১ রান। জবাবে রংপুর দিন শেষে ২ উইকেট হারিয়ে তুলেছে ৬৫ রান।
খুলনায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে কোনো সেঞ্চুরি না হলেও স্বাগতিক খুলনা বরিশালের বিপক্ষে ৯ উইকেট হারিয়ে ৩১২ রান তুলে প্রথম ইনিংস শেষ করে।








