হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগা আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের গাড়িকে ভেতরে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে যে অভিযোগ উঠেছিল, তা সত্য নয় বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) বিমানবন্দরে আগুনের ঘটনায় বেবিচকের এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
বেবিচক চেয়ারম্যান জানান, আগুনের সূত্রপাত ইমপোর্ট কুরিয়ার সার্ভিসের ভেতর থেকে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করতে তদন্ত কমিটি কাজ করছে। তিনি বলেন, কার্গোতে মালামাল জমে থাকা এবং বাইরে ছড়িয়ে থাকার দায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, কাস্টম হাউজ ও সিএন্ডএফ এজেন্টদের।
চেয়ারম্যান আরও উল্লেখ করেন, আগুন লাগার পর ফায়ার সার্ভিসের ৩৭টি ইউনিট, পুলিশ, র্যাব, আনসার, এপিবিএন, বিমান ও নৌবাহিনী একযোগে কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। সাত ঘণ্টা পর রাত সোয়া ৯টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তিনি বলেন, বিমানবন্দরের ফায়ার স্টেশনের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা দরকার, তবে সক্ষমতা না থাকার অভিযোগ ভ্রান্তি।
বিমানবন্দর কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে এবং কার্গো ভিলেজও এখন পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়নি। এছাড়া, ২১ অক্টোবর রাত ১২টা পর্যন্ত তিন দিনের অতিরিক্ত ফ্লাইটের ট্যাক্স মওকুফ করা হয়েছে। আগুন লাগার ঘটনায় এক বিলিয়ন ডলারের বেশি ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং ইউনিট যৌথভাবে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।








