বিসিবি নতুন বোর্ডের অধীনে বিপিএলের ১২তম আসরের প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন করেছে। স্পোর্টস ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি আইএমজির সঙ্গে তিন বছরের চুক্তি সম্পন্ন করেছে বোর্ড। ১২তম আসরে ড্রাফট অনুষ্ঠিত হবে ১৭ নভেম্বর, এবং এবারের আসরে অংশ নিতে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলিকে দিতে হবে ফ্র্যাঞ্চাইজি ফি ২ কোটি টাকা এবং ব্যাংক গ্যারান্টি ১০ কোটি টাকা।
এবারের আসরে চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা, আর রানার্সআপ দল পাবে ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। এছাড়া টিকিট বিক্রি, টিভি রাইটস ও ডিজিটাল বিজ্ঞাপন আয়ের ৩০ শতাংশ ভাগ করে দেওয়া হবে অংশগ্রহণকারী ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর মধ্যে। প্রতিটি ম্যাচে দুই দলের স্পন্সর প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের সুযোগও থাকবে।
এই আসরে মোট ৫ দল অংশগ্রহণ করবে, যার মধ্যে ঢাকা, রংপুর, রাজশাহী ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো ইতিমধ্যেই আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বরিশাল, খুলনা ও চট্টগ্রামের সঙ্গে আলোচনা চলছে। প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজি তাদের স্বত্ব ৫ বছরের জন্য পাবে। ফ্র্যাঞ্চাইজি ফি প্রতি বছর ১৫ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পাবে।
বিসিবি এবারের আসরে ফিক্সিং নিয়ে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। পূর্বে ফিক্সিংয়ে নাম ওঠা ক্রিকেটাররা কোনো দলে সুযোগ পাবেন না। প্রয়োজনে আইসিসি প্রতিনিধিসহ বিসিবির সঙ্গে কাজ করা অ্যালেক্স মার্শাল নজর রাখবেন।
নতুন বোর্ডের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল অস্ট্রেলিয়া থেকে ছুটি কাটিয়ে ফিরলে এই সিদ্ধান্তগুলো চূড়ান্ত অনুমোদন পাবে। বিসিবি আশা করছে, এবারের বিপিএল আরও স্বচ্ছ, আকর্ষণীয় এবং সফল হবে।








