সাম্প্রতিক ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের রেশ এখনও কাটেনি। পহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার পর শুরু হওয়া উত্তেজনায় ভারত চালায় ‘অপারেশন সিন্দুর’, আর পাকিস্তান দেয় পাল্টা জবাব ‘বুনিয়ানুম মারসুস’ নামে। মে মাসের শুরুতে দুই দেশের মধ্যে হওয়া সংঘর্ষে প্রাণহানি ঘটে শতাধিক মানুষের। ভারতের সামরিক ও বেসামরিক নাগরিক নিহত হয় প্রায় ৩০ জন, আর পাকিস্তানের প্রাণহানির সংখ্যা ছাড়িয়ে যায় পঞ্চাশ। উভয় দেশেই আহতের সংখ্যা ছিল উল্লেখযোগ্য। অবশেষে ১০ মে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।
এই যুদ্ধকালীন সময়ে স্থগিত হয়ে যায় ভারতের আইপিএল এবং পাকিস্তানের পিএসএল। একই সঙ্গে দুই দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে তৈরি হয় শঙ্কা—এশিয়া কাপে ভারত ও পাকিস্তানের মুখোমুখি হওয়া কি আদৌ সম্ভব হবে? তবে শেষ পর্যন্ত টুর্নামেন্টে তারা তিনবার মুখোমুখি হয়। সর্বশেষ মোকাবেলায় ভারতকে হারিয়ে এশিয়া কাপের শিরোপা জেতে টিম ইন্ডিয়া।
শিরোপা জয়ের পর ভারতীয় দলের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ঘোষণা দেন, পুরো টুর্নামেন্টে তার ম্যাচ ফির সব অর্থ ভারতের সশস্ত্র বাহিনীকে দান করবেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, দেশের জন্য প্রাণ বিসর্জন দেওয়া সেনাদের পাশে দাঁড়াতেই তার এই সিদ্ধান্ত।
প্রায় একই পথে হাঁটলেন পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান আলী আগা। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনের একেবারে শেষ মুহূর্তে তিনি ঘোষণা দেন, এশিয়া কাপ ফাইনালে পাকিস্তান দলের ম্যাচ ফি ভারতের হামলায় ক্ষতিগ্রস্তদের দান করা হবে। এই পদক্ষেপ দুই দেশের জনগণের কাছে মানবিক উদাহরণ হয়ে থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে।








