ফিলিপিন্সের উত্তরাঞ্চলে আঘাত হানে সুপার টাইফুন রাগাসা, এতে অন্তত তিনজনের মৃত্যু হয়েছে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘণ্টায় ২৩০ কিলোমিটার বেগে চলা এই ঘূর্ণিঝড়টি এখন তাইওয়ান, হংকং ও চীনের মূল ভূখণ্ডের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও অধিবাসীরা ঝড়ের প্রভাবে বিপর্যয় রোধে জোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
প্রশান্ত মহাসাগরে সৃষ্ট এই প্রবল টাইফুন সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় ফিলিপিন্সের কাগায়ান প্রদেশের পানুইটান দ্বীপে আঘাত হানে। ঝড়ের আগে হাজার হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়, তবু প্রাণহানি ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটেছে। ম্যানিলা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় স্কুল, সরকারি অফিস ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে।
ফিলিপিন্সের পর টাইফুনটি এখন তাইওয়ান, হংকং ও চীনের দিকে এগোচ্ছে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) চীনের অন্তত ১০টি শহরে স্কুল, অফিস ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শেনঝেন শহরের জরুরি ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জরুরি কাজ ছাড়া কেউ বাইরে বের হবেন না।
হংকং প্রশাসন টাইফুন রাগাসাকে ‘গুরুতর হুমকি’ হিসেবে অভিহিত করেছে। প্রশাসনের দ্বিতীয় শীর্ষ কর্মকর্তা এরিক চ্যান জানান, এই ঝড় ২০১৭ সালের হাতো ও ২০১৮ সালের মাংখুট টাইফুনের সাথে তুলনীয় ক্ষতি সৃষ্টি করতে পারে। হংকংয়ের আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, টাইফুন মঙ্গলবার ভোরে দক্ষিণ চীন সাগরের ওপর দিয়ে সর্বোচ্চ ২২০ কিলোমিটার বেগে এগোচ্ছে। তবে বিমানবন্দর খোলা থাকবে, কিন্তু সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরের দিন পর্যন্ত বিমান চলাচলে ব্যাঘাতের আশঙ্কা রয়েছে। ক্যাথে প্যাসিফিকের ৫০০টিরও বেশি ফ্লাইট বাতিল হতে পারে।








