Editorial News 24

পদত্যাগ করেননি নাজমুল, দেড়টার বিপিএল ম্যাচে নামছেন না ক্রিকেটাররা

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক এম নাজমুল ইসলামের সাম্প্রতিক মন্তব্য ঘিরে বাংলাদেশ ক্রিকেটে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তার পদত্যাগের দাবিতে অনড় অবস্থানে রয়েছেন ক্রিকেটাররা। নাজমুল ইসলাম পদত্যাগ না করলে সব ধরনের ক্রিকেট কার্যক্রম বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন তারা। ফলে চলমান বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ম্যাচ আয়োজন নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুর দেড়টায় বিপিএলের একটি ম্যাচ সূচিতে থাকলেও নির্ধারিত সময় পর্যন্ত ক্রিকেটাররা হোটেল ত্যাগ করেননি। বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলামের পদত্যাগের দাবিতে তারা এখনও অবস্থানে অনড় রয়েছেন। বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ না করলে ক্রিকেটারদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে কি না এবং বেতন–ভাতা সংক্রান্ত বিষয়ে এম নাজমুল ইসলামের বক্তব্যের পর থেকেই ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব) জানিয়েছে, ওই মন্তব্য ছিল ‘অদায়িত্বশীল’। সংগঠনটির পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, নাজমুল ইসলাম পদত্যাগ না করলে ক্রিকেটাররা মাঠে ফিরবেন না। এদিকে নাজমুল ইসলামের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বুধবার (১৪ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে বিসিবি জানিয়েছে, কোনো মন্তব্য অনুপযুক্ত, আপত্তিকর বা কষ্টদায়ক বলে বিবেচিত হলে বোর্ড সে জন্য দুঃখ প্রকাশ করছে। একই সঙ্গে বোর্ড জানায়, এ ধরনের বক্তব্য বিসিবির মূল্যবোধ, নীতি কিংবা আনুষ্ঠানিক অবস্থানকে প্রতিফলিত করে না এবং বাংলাদেশ ক্রিকেটের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের কাছ থেকে প্রত্যাশিত আচরণবিধির সঙ্গেও তা সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিসিবির নির্ধারিত মুখপাত্র কিংবা মিডিয়া ও কমিউনিকেশনস বিভাগের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত বক্তব্য ছাড়া কোনো পরিচালক বা বোর্ড সদস্যের মন্তব্যের দায় বিসিবি বহন করবে না। অনুমোদিত চ্যানেলের বাইরে দেওয়া বক্তব্য ব্যক্তিগত মতামত হিসেবে বিবেচিত হবে। ক্রিকেটারদের প্রতি অসম্মানজনক আচরণ বা বক্তব্য এবং বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে যথাযথ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও স্পষ্ট করেছে বোর্ড। পাশাপাশি বিসিবি অতীত ও বর্তমান সব ক্রিকেটারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ও সম্মান পুনর্ব্যক্ত করে জানায়, ক্রিকেটারদের অবদান, মর্যাদা ও কল্যাণ বোর্ডের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক এম নাজমুল ইসলামের সাম্প্রতিক মন্তব্য ঘিরে বাংলাদেশ ক্রিকেটে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তার পদত্যাগের দাবিতে অনড় অবস্থানে রয়েছেন ক্রিকেটাররা। নাজমুল ইসলাম পদত্যাগ না করলে সব ধরনের ক্রিকেট কার্যক্রম বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন তারা। ফলে চলমান বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ম্যাচ আয়োজন নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুর […]

হাসিনার আমৃত্যু কারাদণ্ডের মামলার আপিল শুনানি কার্য তালিকায়

হাসিনার আমৃত্যু কারাদণ্ডের মামলার আপিল শুনানি কার্য তালিকায় চব্বিশের জুলাই–আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের আমৃত্যু কারাদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিল আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতের কার্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালতের বৃহস্পতিবারের কার্য তালিকায় মামলাটি ৫৮ নম্বর ক্রমিকে রাখা হয়েছে। এর আগে গত ১৫ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল দায়ের করে। আপিলে আসামিদের জন্য মৃত্যুদণ্ড প্রার্থনা করা হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীম জানান, মোট আটটি যুক্তিতে মৃত্যুদণ্ড চেয়ে এই আপিল করা হয়েছে। উল্লেখ্য, গত ১৭ নভেম্বর একটি অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ক্ষমতাচ্যুত পলাতক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন। একই মামলার আরেকটি অভিযোগে তাদের আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এদিকে, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার রাজসাক্ষী এবং পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনও তার বিরুদ্ধে দেওয়া পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আপিল করেছেন।

চব্বিশের জুলাই–আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের আমৃত্যু কারাদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিল আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতের কার্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালতের বৃহস্পতিবারের কার্য তালিকায় মামলাটি ৫৮ নম্বর ক্রমিকে রাখা হয়েছে। এর আগে […]

২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ইরানে হামলার আশঙ্কা: রয়টার্স

২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ইরানে হামলার আশঙ্কা: রয়টার্স মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি দিন দিন আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। যে কোনো সময় বড় ধরনের সামরিক সংঘাত শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ইরানে সামরিক হামলা চালাতে পারে। রয়টার্স জানিয়েছে, গোয়েন্দা ও সামরিক সূত্রের বরাতে তারা এই তথ্য পেয়েছে। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার উত্তেজনা বর্তমানে চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত কয়েকদিন ধরে ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছেন। ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিক্রিয়ায় তিনি প্রকাশ্যেই বিক্ষোভকারীদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে সরকার পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন। একাধিক বক্তব্যে ট্রাম্প বলেছেন, ইরানকে ‘বড় মূল্য’ দিতে হবে এবং খুব শিগগিরই সেখানে মার্কিন সহায়তা পৌঁছাবে। উদ্ভূত পরিস্থিতির মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন সামরিক শক্তিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। কাতারসহ আশপাশের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত সামরিক ঘাঁটি থেকে মার্কিন সেনা ও কর্মীদের সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য আক্রমণের প্রস্তুতি জোরদার করছে পেন্টাগন। এর জবাবে ইরানও কড়া ভাষায় পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছে। তেহরান জানিয়েছে, তাদের ওপর হামলা চালানো হলে ওই অঞ্চলে অবস্থানরত সব মার্কিন ঘাঁটি ও যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলো ভয়াবহ প্রতিশোধের মুখে পড়বে। ইরানি কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে বলেছে, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত কিংবা তুরস্কের ভূখণ্ড ব্যবহার করে যদি যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালায়, তবে সেসব দেশও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, তারা যুদ্ধ চায় না, তবে যেকোনো পরিস্থিতির জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। এদিকে ট্রাম্পের সাম্প্রতিক কিছু বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। তিনি বিক্ষোভকারীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে সরকারি দপ্তর দখলের আহ্বান জানান, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। যদিও বুধবার রাতে ট্রাম্প কিছুটা সংযত সুরে বলেন, ইরানে বিক্ষোভকারীদের ওপর সহিংসতা বন্ধ হয়েছে বলে তিনি খবর পেয়েছেন, তবুও সামরিক হামলার আশঙ্কা পুরোপুরি কাটেনি। ইসরায়েলি গোয়েন্দা সূত্রগুলোর দাবি, ট্রাম্প প্রশাসন হামলার বিষয়ে ইতোমধ্যেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে এবং এখন কেবল উপযুক্ত সময়ের অপেক্ষা করা হচ্ছে। অন্যদিকে উপসাগরীয় দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রকে সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়ে সামরিক পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করে যাচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি দিন দিন আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। যে কোনো সময় বড় ধরনের সামরিক সংঘাত শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ইরানে সামরিক হামলা চালাতে পারে। রয়টার্স জানিয়েছে, গোয়েন্দা ও সামরিক সূত্রের বরাতে তারা এই তথ্য পেয়েছে। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার […]

ইরানে হামলার ছক চূড়ান্ত? ট্রাম্প প্রশাসনের সম্ভাব্য লক্ষ্য কারা

ইরানে হামলার ছক চূড়ান্ত? ট্রাম্প প্রশাসনের সম্ভাব্য লক্ষ্য কারা ওয়াশিংটন ও মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে নতুন করে বাড়ছে সামরিক উত্তেজনা। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক আক্রমণাত্মক অবস্থান এবং স্বল্পমেয়াদি সামরিক অভিযানের কৌশল ইরানসহ একাধিক দেশে অস্থিরতা বাড়িয়ে তুলেছে। বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ ও ব্যাপক সেনা মোতায়েনের পরিবর্তে দ্রুত আঘাত হেনে লক্ষ্য পূরণের নীতিই এখন ট্রাম্প প্রশাসনের মূল কৌশল। এই নীতির সাম্প্রতিক উদাহরণ হিসেবে ভেনেজুয়েলার ঘটনা উল্লেখ করছেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা। দেশটিতে মার্কিন অভিযানে বড় ধরনের অভ্যন্তরীণ বা আন্তর্জাতিক প্রতিরোধ না থাকায় ট্রাম্প প্রশাসন আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার যুক্তরাষ্ট্রের নজর ইরানের দিকে ঘুরছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি বর্তমানে বেশ নাজুক। সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ায় দেশজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে সীমিত আকারে বিমান হামলার পরিকল্পনা করছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) এবং বাসিজ আধাসামরিক বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে হামলার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে ওয়াশিংটন। যদিও সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে ট্রাম্প কিছুটা সংযত সুরে বলেছেন, বিক্ষোভকারীদের হত্যা বন্ধ হয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। তবে বাস্তবে সামরিক প্রস্তুতিতে শিথিলতা দেখা যাচ্ছে না। কাতার থেকে মার্কিন কর্মীদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংসে সম্ভাব্য আকাশ অভিযান নিয়ে পেন্টাগনে আলোচনা চলছে। আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের এই কৌশলকে বলা হচ্ছে ‘স্বল্প ব্যয়ে সরকার পরিবর্তন’ মডেল। যেখানে সরাসরি স্থলযুদ্ধে না গিয়ে গোয়েন্দা তৎপরতা, প্রক্সি যুদ্ধ এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁত হামলার মাধ্যমে চাপ সৃষ্টি করা হয়। ভেনেজুয়েলায় এই কৌশল কার্যকর হওয়ার পেছনে দেশটির দুর্বল সামরিক কাঠামো ও অভ্যন্তরীণ দুর্নীতিকে বড় কারণ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। ইরানের ক্ষেত্রেও যুক্তরাষ্ট্র একই ধরনের দুর্বলতা কাজে লাগাতে চায় বলে ধারণা করা হচ্ছে। দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও আর্থিক সংকটে বিপর্যস্ত দেশটি বর্তমানে ভেতর থেকেই চাপে রয়েছে। এই সুযোগে সরাসরি যুদ্ধ এড়িয়ে ইসরায়েলি গোয়েন্দা সহায়তা ও আকাশ শক্তির মাধ্যমে ইরানকে কোণঠাসা করাই ওয়াশিংটনের কৌশল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তবে ভেনেজুয়েলার তুলনায় ইরানের সামরিক সক্ষমতা অনেক বেশি শক্তিশালী হওয়ায় এই অভিযান যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, একই সময়ে একাধিক অঞ্চলে জটিল সামরিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোর নিরাপত্তা এখন বড় উদ্বেগের বিষয়। এর মধ্যেই বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যস্ত এবং চীন তাইওয়ান ইস্যুতে মনোযোগী থাকায় যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত প্রভাব বিস্তার তুলনামূলক সহজ হয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে। এখন প্রশ্ন—ট্রাম্প প্রশাসন যদি এই সামরিক কৌশল ইরানের ওপর প্রয়োগ করে, তবে তা মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক বাস্তবতাকে কোন দিকে নিয়ে যাবে। সূত্র: মিডল ইস্ট আই

ওয়াশিংটন ও মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে নতুন করে বাড়ছে সামরিক উত্তেজনা। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক আক্রমণাত্মক অবস্থান এবং স্বল্পমেয়াদি সামরিক অভিযানের কৌশল ইরানসহ একাধিক দেশে অস্থিরতা বাড়িয়ে তুলেছে। বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ ও ব্যাপক সেনা মোতায়েনের পরিবর্তে দ্রুত আঘাত হেনে লক্ষ্য পূরণের নীতিই এখন ট্রাম্প প্রশাসনের মূল কৌশল। এই নীতির সাম্প্রতিক উদাহরণ হিসেবে ভেনেজুয়েলার ঘটনা উল্লেখ করছেন […]