Editorial News 24

রাফসান-জেফারের বিয়ে কাল

**রাফসান-জেফারের বিয়ে কাল** গত কয়েক বছর ধরেই রাফসান সাবাব ও জেফার রহমানের সম্পর্কে প্রেমের গুঞ্জন চলছিল। তবে দুজনেই তা বরাবরই বন্ধুত্ব হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। এ সময়ে বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে একসাথে উপস্থিতি এবং থাইল্যান্ডে একান্ত সময় কাটানোর ছবিও ভাইরাল হয়েছিল। কিন্তু প্রেমের বিষয়টি নিয়ে তারা কখনও মুখ খোলেননি। এবার শোনা যাচ্ছে, এই দুই তারকা প্রেমকে আনুষ্ঠানিক রূপ দিতে যাচ্ছেন। আগামীকাল বুধবার উপস্থাপক রাফসান সাবাব ও সংগীতশিল্পী জেফার রহমান বিয়ে করবেন। খবরটি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন তাদের ঘনিষ্ঠজনরা। জানা গেছে, গত সপ্তাহখানেক ধরে বিয়ের প্রস্তুতি চলছিল। আগামীকাল ঢাকার অদূরে আমিনবাজারের একটি রিসোর্টে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে। এরপর দুজন আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি গণমাধ্যমে জানাবেন। রাফসানের পূর্ববর্তী সম্পর্কের কথাও উল্লেখযোগ্য। ২০২৩ সালের শেষে তিনি চিকিৎসক সানিয়া এশার সঙ্গে তিন বছরের দাম্পত্যজীবনের ইতি টেনেছিলেন। রাফসান নিজের ফেসবুকে লিখেছিলেন, “বিবাহবিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ ছিল না। তবে অনেক চিন্তাভাবনার পরে আলাদা হওয়াটাই সুন্দর সমাধান মনে হয়েছে। আমাদের একসঙ্গে তিন বছরের পথচলার শেষটাও আমি চাই সম্মানজনক হোক।” ভাঙনের খবর প্রকাশের পর স্ত্রী সানিয়া সুলতানা এশাও মন্তব্য করেন, তিনি বিচ্ছেদ চাননি। এ সময়ে রাফসান ও গায়িকা জেফারের মধ্যে প্রেমের সম্পর্কের গুঞ্জনও শুরু হয়। অনেকেই মনে করছেন, জেফারের সঙ্গে সম্পর্কের কারণেই রাফসান এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

গত কয়েক বছর ধরেই রাফসান সাবাব ও জেফার রহমানের সম্পর্কে প্রেমের গুঞ্জন চলছিল। তবে দুজনেই তা বরাবরই বন্ধুত্ব হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। এ সময়ে বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে একসাথে উপস্থিতি এবং থাইল্যান্ডে একান্ত সময় কাটানোর ছবিও ভাইরাল হয়েছিল। কিন্তু প্রেমের বিষয়টি নিয়ে তারা কখনও মুখ খোলেননি। এবার শোনা যাচ্ছে, এই দুই তারকা প্রেমকে আনুষ্ঠানিক রূপ দিতে যাচ্ছেন। […]

এক বাসায় অনেক পোস্টাল ব্যালটের ভিডিও ভাইরাল, ব্যবস্থা চায় বিএনপি

**এক বাসায় অনেক পোস্টাল ব্যালটের ভিডিও ভাইরাল, ব্যবস্থা চায় বিএনপি** একটি বাসায় কয়েকজন ব্যক্তি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য অনেকগুলো পোস্টাল ব্যালট গুনছেন, এমন একটি ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে পোস্টাল ব্যালটের খামে ঠিকানা লেখা দেখা গেছে বাহরাইনের। আজ মঙ্গলবার বিএনপি নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে বিষয়টি নিয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করেছে। দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, একটি ‘বিশেষ রাজনৈতিক দলের’ নেতারা ভিডিওতে কাজটি করছিলেন। ভাইরাল হওয়া ভিডিওটির দৈর্ঘ্য ৭ মিনিট ৩২ সেকেন্ড। এতে কয়েকজনকে পোস্টাল ব্যালট গুনতে দেখা যায়। ভিডিওতে শোনা যায়, একজন ভিডিওকারীকে বাধা দিয়ে বলছেন, “এই দাঁড়ান, আপনি ভিডিও করছেন কিসের জন্য? এখানে উনারা মেইন ভিডিও করছে। কেন আপনারা আরও ভিডিও করছেন? আপনারা এখান থেকে যেগুলো আছে সব নিয়ে যান। আমাদের দরকার নাই। কিন্তু ভিডিও করবেন না, ফেসবুকে ছাড়বেন না।” অপর একজন বলেন, “ডিস্টার্ব কইরো না, কেউ ফেসবুকে ছাড়বে না।” এরপর প্রথম ব্যক্তিটি বলেন, “আমরা এগুলো যাচ্ছি আর আনছি না। এগুলো আমাদের দিয়েছে। এখানে আমার দাদিরা ছিল। আপনারা যা আছে সব নিয়ে যান।” এক পর্যায়ে আরও শোনা যায়, একাধিক ব্যক্তি ভিডিও করলে তা ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়তে পারে, যা ভাবমূর্তির ক্ষতি করতে পারে এবং বাহরাইনে প্রবাসীদের দেওয়া পোস্টাল ব্যালটে ভোট বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। যাচাই বা ফ্যাক্ট চেকে দেখা গেছে, ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তি বা এআই দিয়ে তৈরি নয়। এছাড়া একটি আরও ছোট ভিডিওও (২৭ সেকেন্ডের) ভাইরাল হয়েছে, যেখানে অনেকগুলো পোস্টাল ব্যালট গুনতে দেখা গেছে। এটি ওমানে জামায়াতের এক ব্যক্তির বাসার বলে দাবি করা হয়েছে। অন্য সূত্র অনুযায়ী, বাহরাইনে জামায়াতের একজনের বাসার ভিডিওও রয়েছে। ২৭ সেকেন্ডের ভিডিওতে চট্টগ্রাম–৩ আসনের কথা শোনা যায়। চট্টগ্রাম-৩ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, “আমরা রাতেই বিষয়টির খবর পেয়েছি। এটি দেশের বাইরে, তবে কোন দেশের তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। আমরা খোঁজখবর নিচ্ছি।” ### বিএনপির দাবী ও ইসির প্রতিক্রিয়া আজ বিকেলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আগারগাঁও নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ে গিয়েছিলেন বিএনপির চারজন প্রতিনিধি। বৈঠকে পোস্টাল ব্যালটের বিষয়টি তুলে ধরেন নজরুল ইসলাম খান। তিনি জানান, বাহরাইনে একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের নেতারা অনেকগুলো ব্যালট হ্যান্ডেল করছেন এবং ভিডিও ভাইরাল হয়ে গেছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে এবং তারা বাহরাইনে রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। কমিশন আরও জানিয়েছে, তদন্তের পর প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যদি কেউ ভোটে কারচুপি করার চেষ্টা করে, তবে তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও ভোটার তালিকায় ব্লক করা হবে। নজরুল ইসলাম খান বলেন, “আমরা চাই, যে কেউ নির্বাচনে হস্তক্ষেপ বা কারচুপি করতে চাই, তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক।” এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করেনি এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ### প্রবাসী ভোটার ও পোস্টাল ব্যালট নিজ নির্বাচনী এলাকার বাইরে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা, নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি এবং কারাবন্দীদের পাশাপাশি এবার প্রবাসী বাংলাদেশিরাও পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে পারছেন। আগে এই সুযোগ সীমিত ছিল। এবার ‘আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালট’ ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রবাসী ভোটারদের জন্য সহজতর করা হয়েছে। এজন্য নির্বাচনী আইনেও সংশোধন আনা হয়েছে। ৫ জানুয়ারি ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে নিবন্ধন শেষ হয়। ইসি সূত্রে জানা গেছে, ৩০০ সংসদীয় আসনের জন্য মোট ১৫ লাখ ২৭ হাজার ১৫৫ জন ভোটারের পোস্টাল ভোট নিবন্ধন অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রবাসী ভোটার ৭ লাখ ৬০ হাজারের বেশি। বাকিরা দেশ থেকে নিবন্ধন করেছেন। এদের মধ্যে প্রায় পৌনে ছয় লাখ সরকারি চাকরিজীবী, প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার নির্বাচনী কর্মকর্তা, ১০ হাজার আনসার-ভিডিপি সদস্য এবং ছয় হাজারের বেশি কারাবন্দী রয়েছেন।

একটি বাসায় কয়েকজন ব্যক্তি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য অনেকগুলো পোস্টাল ব্যালট গুনছেন, এমন একটি ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে পোস্টাল ব্যালটের খামে ঠিকানা লেখা দেখা গেছে বাহরাইনের। আজ মঙ্গলবার বিএনপি নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে বিষয়টি নিয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করেছে। দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, একটি ‘বিশেষ রাজনৈতিক দলের’ নেতারা ভিডিওতে কাজটি […]

নতুন সূচকে ভিসা ছাড়াই যেসব দেশে যেতে পারবেন বাংলাদেশিরা

**নতুন সূচকে ভিসা ছাড়াই যেসব দেশে যেতে পারবেন বাংলাদেশিরা** বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্ট সূচকে উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের। সর্বশেষ সূচকে পাঁচ ধাপ এগিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান এখন ৯৫ নম্বরে। এর ফলে বর্তমানে বাংলাদেশি নাগরিকরা মোট ৩৭টি দেশে আগাম ভিসা ছাড়াই ভ্রমণের সুযোগ পাচ্ছেন। হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্স ২০২৬–এর (জানুয়ারি সংস্করণ) তথ্য অনুযায়ী, ১০১টি দেশের তালিকায় বাংলাদেশ ৯৫তম অবস্থানে রয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স এ সূচক প্রকাশ করে। এর আগে ২০২৫ সালের অক্টোবরে প্রকাশিত হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্সে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১০০তম। সর্বশেষ সূচকে পাঁচ ধাপ উন্নতি দেশের পাসপোর্ট শক্তিশালী হওয়ার ইতিবাচক ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। লন্ডনভিত্তিক নাগরিকত্ব ও আবাসন পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সংস্থা আইএটিএ (IATA)-এর তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবছর এই পাসপোর্ট সূচক প্রকাশ করে থাকে। ### ভিসা ছাড়াই যেসব দেশে যেতে পারবেন বাংলাদেশিরা আগাম ভিসা ছাড়া বাংলাদেশি নাগরিকরা যেসব দেশে ভ্রমণ করতে পারবেন, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে—বার্বাডোস, ভুটান, ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ডস, বুরুন্ডি, কম্বোডিয়া, কেপ ভার্দে আইল্যান্ডস, কোমোরো আইল্যান্ডস, কুক আইল্যান্ডস, জিবুতি, ডোমিনিকা, ফিজি, গ্রেনাডা, গিনি-বিসাউ, হাইতি, জ্যামাইকা, কেনিয়া, কিরিবাতি, মাদাগাস্কার, মালদ্বীপ, মাইক্রোনেশিয়া, মন্টসেরাট, মোজাম্বিক, নেপাল, নিউয়ে, রুয়ান্ডা, সামোয়া, সেশেলস, সিয়েরা লিওন, শ্রীলঙ্কা, সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস, সেন্ট ভিনসেন্ট অ্যান্ড দ্য গ্রেনাডাইনস, দ্য বাহামাস, দ্য গাম্বিয়া, তিমুর-লেস্তে, ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো, টুভালু ও ভানুয়াতু। এই তালিকার কিছু দেশে অন-অ্যারাইভাল ভিসা বা বিমানবন্দরে পৌঁছে ভিসা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। আবার কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রে ই-ভিসা সুবিধা প্রযোজ্য। ### সূচকের শীর্ষে এশিয়ার দেশ চলতি বছরের হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্সে শীর্ষ তিনটি অবস্থানই দখল করেছে এশিয়ার দেশগুলো। তালিকার এক নম্বরে রয়েছে সিঙ্গাপুর। যৌথভাবে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া। সূচক অনুযায়ী, সিঙ্গাপুরের নাগরিকরা বিশ্বের ২২৭টি দেশ ও অঞ্চলের মধ্যে ১৯২টিতে ভিসা ছাড়াই প্রবেশ করতে পারেন। অন্যদিকে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকরা ভিসামুক্তভাবে ভ্রমণ করতে পারেন ১৮৮টি গন্তব্যে।

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্ট সূচকে উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের। সর্বশেষ সূচকে পাঁচ ধাপ এগিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান এখন ৯৫ নম্বরে। এর ফলে বর্তমানে বাংলাদেশি নাগরিকরা মোট ৩৭টি দেশে আগাম ভিসা ছাড়াই ভ্রমণের সুযোগ পাচ্ছেন। হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্স ২০২৬–এর (জানুয়ারি সংস্করণ) তথ্য অনুযায়ী, ১০১টি দেশের তালিকায় বাংলাদেশ ৯৫তম অবস্থানে রয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স […]

যে কারণে স্বতন্ত্র নির্বাচন করছেন, জানালেন তাসনিম জারা

**যে কারণে স্বতন্ত্র নির্বাচন করছেন, জানালেন তাসনিম জারা** জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা–৯ আসনে পদযাত্রা শুরু করেছিলেন ডা. তাসনিম জারা। পরে দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব পদ থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। বর্তমানে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে তাসনিম জারা বলেন, জনগণ পরিবর্তন চায় এবং পুরোনো রাজনৈতিক বন্দোবস্ত আর গ্রহণ করতে প্রস্তুত নয়। এই পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা থেকেই তিনি দলীয় রাজনীতি থেকে সরে এসে স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে সিটিজেনম প্ল্যাটফর্ম আয়োজিত ‘জাতীয় নির্বাচন–২০২৬ ও নাগরিক প্রত্যাশা’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থায় জবাবদিহির কাঠামো অত্যন্ত দুর্বল। সর্বত্র জটিলতা বিরাজ করছে। যেখানে যাঁর কাছে জবাবদিহি করার কথা, সেই ব্যক্তিই অনেক ক্ষেত্রে নিয়োগকর্তা—এটি একটি বড় সংকট বলে তিনি উল্লেখ করেন। জবাবদিহির প্রসঙ্গে তাসনিম জারা আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে যে সংস্কারের কথা বলা হচ্ছে, সে বিষয়ে আলোচনা অব্যাহত রাখা জরুরি। একই সঙ্গে যারা ক্ষমতায় থাকবে, তাদের কার্যকর জবাবদিহি নিশ্চিত করাও প্রয়োজন। উল্লেখ্য, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এনসিপির হয়ে ঢাকা–৯ (খিলগাঁও, সবুজবাগ ও মুগদা) আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কথা ছিল ডা. তাসনিম জারার। তবে গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি জানান, তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঢাকা–৯ আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নেবেন। এই আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জাবেদ মিয়া রাসিন।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা–৯ আসনে পদযাত্রা শুরু করেছিলেন ডা. তাসনিম জারা। পরে দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব পদ থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। বর্তমানে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে তাসনিম জারা বলেন, জনগণ পরিবর্তন চায় এবং পুরোনো রাজনৈতিক বন্দোবস্ত আর গ্রহণ করতে […]

ভারতে নিরাপত্তা ঝুঁকি স্বীকার করে বিসিবিকে আইসিসির চিঠি: যা বলা হয়েছে

**ভারতে নিরাপত্তা ঝুঁকি স্বীকার করে বিসিবিকে আইসিসির চিঠি: যা বলা হয়েছে** ভারতে অনুষ্ঠিতব্য টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের নিরাপত্তা নিয়ে সম্ভাব্য তিনটি ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) একটি চিঠি পাঠিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। সোমবার বিকেলে অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বিষয়টি জানান। পরে বিসিবিও নিশ্চিত করে, এটি আইসিসি ও বিসিবির মধ্যে নিরাপত্তা-সংক্রান্ত অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের অংশ। আইসিসির পাঠানো চিঠিটি মূলত একটি ই-মেইল। গত ৮ জানুয়ারি আইসিসির নিরাপত্তা বিভাগের ব্যবস্থাপক বিসিবির নিরাপত্তা উপদেষ্টার কাছে এটি পাঠান। সেখানে ভারতে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ দল ও সমর্থকদের সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে একটি **‘রিস্ক অ্যাসেসমেন্ট সামারি’** তুলে ধরা হয়েছে। আইসিসি সাধারণত বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের আগে অংশগ্রহণকারী দল ও ভেন্যুগুলো ঘিরে এ ধরনের ঝুঁকি মূল্যায়ন করে থাকে, যাতে আগাম সতর্কতা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যায়। ### মুস্তাফিজ ইস্যুতে বাড়তি সতর্কতা ডিসেম্বরে করা প্রাথমিক ঝুঁকি মূল্যায়নে পুরো বিশ্বকাপের ঝুঁকি মাত্রা ‘মডারেট’ হিসেবে উল্লেখ করা হলেও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে তা ‘মডারেট টু হাই’ বলে চিহ্নিত করা হয়। অর্থাৎ, অন্যান্য দলের তুলনায় বাংলাদেশের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি বলে ধরা হয়েছে। পরবর্তী এক মূল্যায়নে বাংলাদেশের ঝুঁকি মাঝারি পর্যায়ের বলা হলেও সেখানে সতর্কবার্তা যুক্ত করা হয়েছে। বিশেষ করে বলা হয়েছে, যদি ‘ধর্মীয় উগ্রপন্থার বিষয়টি জড়িত হয়’, সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশ দলের সঙ্গে মুস্তাফিজুর রহমানের উপস্থিতি অতিরিক্ত ঝুঁকির কারণ হতে পারে। ### ম্যাচ ভেন্যু ও দলের নিরাপত্তা বর্তমান সূচি অনুযায়ী, বাংলাদেশ দল বেঙ্গালুরুতে একটি ওয়ার্ম-আপ ম্যাচ খেলবে। পাশাপাশি গ্রুপ পর্বে কলকাতায় তিনটি এবং মুম্বাইয়ে একটি ম্যাচ খেলার কথা রয়েছে। ম্যাচের সময় ও প্রতিপক্ষ বিবেচনায় এসব ভেন্যুতে বাংলাদেশ দলের ঝুঁকি ‘মিডিয়াম-লো’, অর্থাৎ মাঝারি থেকে কম হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের এক কর্মকর্তার মূল্যায়ন অনুযায়ী, সাম্প্রতিক ঘটনাবলির পরও এমন কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি, যা বিদ্যমান নিরাপত্তা পরিকল্পনার বাইরে যায়। ### সমর্থকদের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি আইসিসির মূল্যায়নে বলা হয়েছে, কলকাতা ও মুম্বাইয়ে বাংলাদেশ দলের ওপর বড় ধরনের সহিংসতার আশঙ্কা নেই। তবে বাংলাদেশি সমর্থকদের ক্ষেত্রে—বিশেষ করে যারা দলের জার্সি পরে বা ছোট দলে স্টেডিয়ামে যাবেন—ঝুঁকি মাঝারি থেকে উচ্চ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশ্বকাপকে ঘিরে কোনো সহিংস ঘটনা ঘটলে তা আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়তে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বা ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার মতো ঘটনার কথা উল্লেখ করা হয়। ### নির্বাচন ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট আইসিসির চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক টানাপোড়েন এবং আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন স্বল্প থেকে মধ্যমেয়াদে পুরো অঞ্চলের পরিস্থিতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। তবে বর্তমান মূল্যায়নে এই উত্তেজনা সরাসরি খেলার ভেন্যু বা খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে সহিংসতায় রূপ নেবে না বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে নির্ধারিত ভেন্যুগুলোতে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা পরিকল্পনা নিয়ে পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলা হয়েছে। ই-মেইলের শেষাংশে জানানো হয়, কৌশলগত নিরাপত্তা পরিকল্পনা বর্তমানে দুই বোর্ডের দুজন স্বাধীন নিরাপত্তা ব্যবস্থাপকের পর্যালোচনায় রয়েছে। এ বিষয়ে বিসিবির নিরাপত্তা উপদেষ্টার মতামত ও মন্তব্যকে স্বাগত জানানো হবে বলেও উল্লেখ করা হয়। ### বিসিবির বক্তব্য ক্রীড়া উপদেষ্টার মন্তব্যের কয়েক ঘণ্টা পর বিসিবি এক বিবৃতিতে জানায়, ভারতে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা ইস্যুতে দেওয়া মন্তব্যগুলো আসলে আইসিসি ও বিসিবির মধ্যে হওয়া অভ্যন্তরীণ আলোচনার অংশবিশেষ। সেখানে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চলাকালে বাংলাদেশ দলের ভারত সফরের সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। বিসিবি আরও জানায়, নিরাপত্তার কারণে বাংলাদেশ যে ভারতের বাইরে ম্যাচ আয়োজনের অনুরোধ জানিয়েছে, এই চিঠি তার কোনো আনুষ্ঠানিক জবাব নয়। ভেন্যু পরিবর্তনের বিষয়ে বিসিবি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ করলেও এখনো আইসিসির পক্ষ থেকে সে বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত উত্তর পাওয়া যায়নি। সূত্র: বিবিসি বাংলা

ভারতে অনুষ্ঠিতব্য টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের নিরাপত্তা নিয়ে সম্ভাব্য তিনটি ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) একটি চিঠি পাঠিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। সোমবার বিকেলে অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বিষয়টি জানান। পরে বিসিবিও নিশ্চিত করে, এটি আইসিসি ও বিসিবির মধ্যে নিরাপত্তা-সংক্রান্ত অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের অংশ। আইসিসির পাঠানো চিঠিটি মূলত একটি ই-মেইল। […]

বাংলাদেশকে অবস্থান পুনর্বিবেচনার অনুরোধ আইসিসির, অনড় বিসিবি

**বাংলাদেশকে অবস্থান পুনর্বিবেচনার অনুরোধ আইসিসির, অনড় বিসিবি** আসন্ন ২০২৬ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) তাদের বর্তমান অবস্থান পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানিয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে দুই সংস্থার মধ্যে অনুষ্ঠিত এক ভার্চুয়াল বৈঠকে এই অনুরোধ জানানো হয়। বিসিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে বোর্ডের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সভাপতি আমিনুল ইসলাম, সহ-সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন ও ফারুক আহমেদ। এ ছাড়া ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান ও পরিচালক নাজমুল আবেদীন এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন চৌধুরীও বৈঠকে অংশ নেন। বিসিবির বিবৃতিতে বলা হয়, বৈঠকে বোর্ড আবারও স্পষ্ট করেছে যে নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে তারা ভারতে গিয়ে খেলতে আগ্রহী নয়। একই সঙ্গে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারতের বাইরে আয়োজনের দাবি পুনরায় তুলে ধরা হয়। আইসিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়, টুর্নামেন্টের সূচি ইতোমধ্যে প্রকাশ করা হয়েছে। সে প্রেক্ষাপটে বিসিবিকে তাদের সিদ্ধান্ত নতুন করে বিবেচনা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে বিসিবি জানিয়েছে, বর্তমান অবস্থান থেকে সরে আসার কোনো পরিকল্পনা এখনো নেই। বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, উভয় পক্ষই সম্ভাব্য সমাধান খুঁজে বের করতে আলোচনা অব্যাহত রাখার বিষয়ে একমত হয়েছে। বিসিবি তাদের খেলোয়াড়, কর্মকর্তা ও স্টাফদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলেও জানানো হয়। বর্তমান সূচি অনুযায়ী, গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের চারটি ম্যাচই ভারতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। তবে দুই দেশের মধ্যে চলমান রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্স থেকে মুস্তাফিজুর রহমানকে ছাড়ার ঘটনার পর থেকেই নিরাপত্তা ইস্যু সামনে এনে ভেন্যু পরিবর্তনের দাবি জানিয়ে আসছে বিসিবি। এর আগে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলও একাধিকবার স্পষ্ট করে বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ভারতে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে প্রস্তুত নয়। সব মিলিয়ে, আইসিসির অনুরোধ সত্ত্বেও বিসিবি এখনো অনড় অবস্থানে রয়েছে। আলোচনা চলমান থাকলেও শেষ পর্যন্ত এই অচলাবস্থার কী সমাধান হয়, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে ক্রিকেট বিশ্ব।

আসন্ন ২০২৬ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) তাদের বর্তমান অবস্থান পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানিয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে দুই সংস্থার মধ্যে অনুষ্ঠিত এক ভার্চুয়াল বৈঠকে এই অনুরোধ জানানো হয়। বিসিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে বোর্ডের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন […]

বুধবার সায়েন্সল্যাব–টেকনিক্যাল–তাঁতীবাজার অবরোধের ঘোষণা

**বুধবার সায়েন্সল্যাব–টেকনিক্যাল–তাঁতীবাজার অবরোধের ঘোষণা** ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি বাস্তবায়নের দাবিতে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মোড়ে অবরোধ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। আগামী বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বেলা ১১টা থেকে সায়েন্সল্যাব, টেকনিক্যাল ও তাঁতীবাজার মোড় অবরোধ করা হবে। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কর্মসূচির কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাত কলেজকে সমন্বয় করে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রণীত **‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আইন–২০২৫’**-এর খসড়া গত ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। খসড়া প্রকাশের পর এ নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা ও বিতর্ক শুরু হলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সব স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে একাধিক পরামর্শ সভা আয়োজন করে। শিক্ষার্থীদের দাবি, স্টেকহোল্ডারদের মতামতের ভিত্তিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় খসড়াটি হালনাগাদ করেছে। সর্বশেষ গত ৭ ও ৮ ডিসেম্বর শিক্ষা ভবন অভিমুখে টানা অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে ডিসেম্বরের মধ্যেই আনুষঙ্গিক সব কার্যক্রম সম্পন্ন করে জানুয়ারি মাসের প্রথম দিকে অধ্যাদেশ জারির আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, একটি সূত্রের বরাতে জানা গেছে—আগামী ১৫ জানুয়ারি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের একটি সভা অনুষ্ঠিত হতে পারে। শিক্ষার্থীরা চান, ওই সভাতেই **ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আইন–২০২৫**-এর হালনাগাদ খসড়ার অনুমোদন দেওয়া হোক এবং একইসঙ্গে রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারি করা হোক। এই প্রেক্ষাপটে এক দফা দাবিতে ১৪ জানুয়ারি রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অবরোধ কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হলে ন্যায্য দাবি আদায়ে আন্দোলন কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি বাস্তবায়নের দাবিতে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মোড়ে অবরোধ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। আগামী বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বেলা ১১টা থেকে সায়েন্সল্যাব, টেকনিক্যাল ও তাঁতীবাজার মোড় অবরোধ করা হবে। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কর্মসূচির কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাত কলেজকে সমন্বয় করে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রণীত ‘ঢাকা […]