Editorial News 24

গুলির মুখে বুক পেতে দিচ্ছেন ইরানিরা, রক্তে লাল রাজপথ

গুলির মুখে বুক পেতে দিচ্ছেন ইরানিরা, রক্তে লাল রাজপথ ইরানে চলমান বিক্ষোভ আরও সহিংস রূপ নিয়েছে। শুক্রবার দক্ষিণ-পূর্ব ইরানের জাহেদান শহরে নিরাপত্তা বাহিনী সরাসরি বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে একাধিক মানুষ আহত হয়েছেন বলে বালুচ মানবাধিকারভিত্তিক ওয়েবসাইট হালভশ জানিয়েছে। হালভশের বরাত দিয়ে জানা গেছে, জুমার নামাজের পর বালুচ নাগরিকদের বৃহৎ বিক্ষোভ শুরু হলে মাক্কি মসজিদের আশপাশে এই গুলির ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ ভাঙচুর করার উদ্দেশ্যেই নিরাপত্তা বাহিনী গুলি চালায়। উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদ শহর থেকেও বিক্ষোভের খবর পাওয়া গেছে। ইরান ইন্টারন্যাশনালকে স্টারলিংক কলের মাধ্যমে যোগাযোগ করা এক ব্যক্তি জানান, শুক্রবার ভাকিলাবাদ বুলেভার্ডে বিপুলসংখ্যক মানুষ জড়ো হন। তার দাবি, বিক্ষোভের আগে রাতেই ওই সড়কের সব নজরদারি ক্যামেরা অকার্যকর করে দেওয়া হয়। তবে এই তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। উত্তর খোরাসান প্রদেশের এসফারায়েন শহরে সহিংসতায় একজন সরকারি কৌঁসুলি ও কয়েকজন নিরাপত্তা সদস্য নিহত হয়েছেন। প্রদেশটির বিচার বিভাগের প্রধান শুক্রবার এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে অস্থিরতার সময় আলী আকবর হোসেইনজাদেহ নামে ওই কৌঁসুলি পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তখন বিক্ষোভকারীরা তাদের অবস্থানরত ট্রেইলারে আগুন ধরিয়ে দেন এবং জরুরি উদ্ধারকর্মীদের সেখানে পৌঁছাতে বাধা দেন। প্রাদেশিক কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তের নির্দেশ দিয়েছেন। মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ জানিয়েছে, বিক্ষোভ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪২ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৩৪ জন বিক্ষোভকারী, দুজন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য, এবং বাকি কয়েকজন সাধারণ নাগরিক। এছাড়া দেশজুড়ে দুই হাজারের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অর্থনৈতিক সংকট, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং সরকারের নীতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া এই আন্দোলন দমন করতে ইরানের বিভিন্ন শহরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। তবু সহিংসতা ও প্রাণহানির মধ্যেও রাজপথ ছাড়তে নারাজ অনেক বিক্ষোভকারী, যা পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে।

ইরানে চলমান বিক্ষোভ আরও সহিংস রূপ নিয়েছে। শুক্রবার দক্ষিণ-পূর্ব ইরানের জাহেদান শহরে নিরাপত্তা বাহিনী সরাসরি বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে একাধিক মানুষ আহত হয়েছেন বলে বালুচ মানবাধিকারভিত্তিক ওয়েবসাইট হালভশ জানিয়েছে। হালভশের বরাত দিয়ে জানা গেছে, জুমার নামাজের পর বালুচ নাগরিকদের বৃহৎ বিক্ষোভ শুরু হলে মাক্কি মসজিদের আশপাশে এই গুলির ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, শান্তিপূর্ণ […]

ইরানে বিক্ষোভ কেন, সরকার কি পতনের মুখে?

ইরানে বিক্ষোভ কেন, সরকার কি পতনের মুখে? আবারও ব্যাপক গণবিক্ষোভের মুখে পড়েছে ইরান সরকার। চলমান আন্দোলন থেকে দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির পদত্যাগের দাবিও উঠেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসন কঠোর অবস্থান নিলেও প্রাণহানির খবর এড়ানো যায়নি। একই সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কাও বাড়ছে, যা ইরান সরকারকে আরও চাপে ফেলেছে। এই প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠছে—চলমান বিক্ষোভ সামাল দিতে পারবে কি না তেহরান, নাকি খামেনি প্রশাসনের জন্য এটি বড় কোনো রাজনৈতিক সংকেত হয়ে উঠছে। দীর্ঘদিনের জমে থাকা অসন্তোষ বিশ্লেষকদের মতে, ইরানে বর্তমান সরকারবিরোধী ক্ষোভ হঠাৎ সৃষ্টি হয়নি। বছরের পর বছর ধরে জমে থাকা সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অসন্তোষই এখন বিস্ফোরণের রূপ নিয়েছে। গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে ইরানি মুদ্রা রিয়ালের বড় ধরনের অবমূল্যায়ন এবং নিত্যপণ্যের লাগামছাড়া মূল্যবৃদ্ধি বিক্ষোভের তাৎক্ষণিক সূত্রপাত ঘটায়। তবে এর পেছনে রয়েছে আরও গভীর কারণ— বাধ্যতামূলক হিজাবসহ কঠোর ধর্মীয় শাসনব্যবস্থা, যা নারীরা ক্রমেই প্রকাশ্যে অমান্য করছে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন নিষেধাজ্ঞার মধ্যে ব্যাপক দুর্নীতি ও অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনা লেবানন, গাজা, ইরাক ও ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোতে বিপুল অর্থ ব্যয় কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রিত পানি ব্যবস্থাপনা নীতির ফলে খরা ও পানিসংকটের তীব্রতা বৃদ্ধি আন্দোলনের বিস্তার শুরুতে রাজধানী তেহরানের বাজারভিত্তিক ব্যবসায়ী ও দোকানিদের ধর্মঘট থেকেই আন্দোলনের সূত্রপাত হয়। তবে গত এক সপ্তাহে এতে যুক্ত হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং ‘নারী, জীবন, স্বাধীনতা’ আন্দোলনের কর্মীরা। উল্লেখ্য, ২০২২ সালে নৈতিকতা পুলিশের হেফাজতে মাহসা আমিনির মৃত্যুর পর এই আন্দোলন ইরানজুড়ে ব্যাপক আকার ধারণ করেছিল। সেই সময় কঠোর দমন-পীড়নের মুখেও প্রতিবাদ থামেনি; বরং বিভিন্ন রূপে তা অব্যাহত রয়েছে। ট্রাম্প ও ইসরায়েলের হুঁশিয়ারি অভ্যন্তরীণ সংকটের পাশাপাশি ইরান এখন নতুন করে আন্তর্জাতিক চাপের মুখেও পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের ‘হত্যা না করতে’ ইরান সরকারকে সতর্ক করে বলেছেন, পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে যুক্তরাষ্ট্র যেকোনো পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। একই সঙ্গে ট্রাম্প ও ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু হুঁশিয়ারি দিয়েছেন—ইরান যদি পারমাণবিক কর্মসূচি পুনরায় জোরদার করে বা ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন সীমিত না করে, তবে সামরিক হামলা চালানো হতে পারে। নেতানিয়াহু দীর্ঘদিন ধরেই ইরানকে ইসরায়েলের অস্তিত্বের জন্য হুমকি হিসেবে আখ্যা দিয়ে আসছেন। যদিও ট্রাম্প দাবি করেছেন, আগের হামলায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস’ হয়েছে, তবে জাতিসংঘের পারমাণবিক পর্যবেক্ষক সংস্থা আইএইএসহ একাধিক বিশ্লেষক বলছেন, ইরানের মূল পারমাণবিক অবকাঠামো এখনো টিকে আছে। খামেনির পাল্টা বার্তা এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ‘অত্যাচারী ব্যক্তি’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ইতিহাস সাক্ষী—অত্যাচারীরা কখনো দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকতে পারে না। রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে খামেনি বলেন, “ফারাও, নমরুদ ও শাহ পাহলভি ক্ষমতায় টিকতে পারেনি। ট্রাম্পও পারবেন না। তাকেও ক্ষমতা থেকে নামানো হবে।” বিক্ষোভকারীদের ‘নাশকতাকারী’ উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, তারা বিদেশি শক্তিকে ইরানে হামলার আহ্বান জানাচ্ছে। জনগণের এই আন্দোলনে সরকার পতন হবে না বলেও তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। সামনে কী? দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সংকট, সামাজিক অসন্তোষ এবং আন্তর্জাতিক চাপ—সব মিলিয়ে ইরান এখন এক জটিল সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। সরকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হবে, নাকি এই বিক্ষোভ খামেনি প্রশাসনের জন্য বড় কোনো রাজনৈতিক মোড় তৈরি করবে—সে প্রশ্নের উত্তরই এখন বিশ্ব রাজনীতির অন্যতম আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে। সূত্র: ইরান ইন্টারন্যাশনাল, দ্য কনভারসেশন

আবারও ব্যাপক গণবিক্ষোভের মুখে পড়েছে ইরান সরকার। চলমান আন্দোলন থেকে দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির পদত্যাগের দাবিও উঠেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসন কঠোর অবস্থান নিলেও প্রাণহানির খবর এড়ানো যায়নি। একই সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কাও বাড়ছে, যা ইরান সরকারকে আরও চাপে ফেলেছে। এই প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠছে—চলমান বিক্ষোভ সামাল দিতে […]

এবার জয়পুরহাটে যুবদল কর্মীকে হত্যা

এবার জয়পুরহাটে যুবদল কর্মীকে হত্যা ঢাকায় স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে গুলি করে হত্যার ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার জয়পুরহাটে যুবদল কর্মী হত্যার ঘটনা ঘটেছে। জেলার পাঁচবিবি উপজেলায় ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন এক যুবদল কর্মী। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার শালাইপুর বাজার এলাকার ঢাকারপাড়া রাস্তার মোড়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। নিহতের নাম ইয়ানুর রহমান (৩০)। তিনি পাঁচবিবি উপজেলা যুবদলের একজন কর্মী। ইয়ানুর উপজেলার ছালাখুর গ্রামের বাসিন্দা এবং আলম মণ্ডলের ছেলে। পাঁচবিবি উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম ডালিম জানান, ইয়ানুর রহমানের সঙ্গে একই গ্রামের মোস্তফা ও ময়নুলের দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। পারিবারিক সূত্রের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, ওই বিরোধের জেরেই প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে হত্যা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ ও নিহতের পরিবার জানায়, দীর্ঘদিন ধরে ছালাখুর গ্রামের ইয়ানুর রহমানের সঙ্গে একই এলাকার মোস্তফার বিরোধ চলছিল। বৃহস্পতিবার রাতে দুর্বৃত্তরা শালাইপুর বাজার এলাকায় তাকে ছুরিকাঘাত করে গুরুতর আহত করে। পরে ঘটনাস্থলে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। নিহতের পরিবারের দাবি, পূর্বপরিকল্পিতভাবেই ইয়ানুরকে হত্যা করা হয়েছে। তারা দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। নিহতের বাবা মো. আলম মণ্ডল বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে একই এলাকার মোস্তফা ও তার ছেলে ময়নুলের সঙ্গে আমাদের বিরোধ চলছে। এর আগেও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি, কিন্তু কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পরিকল্পিতভাবে আমার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। আমি এর বিচার চাই।” অন্যদিকে প্রতিপক্ষ মোস্তফার পুত্রবধূ ইসরাত জাহান কেমি দাবি করেন, ইয়ানুর ও তার পরিবারের সঙ্গে তাদের বিরোধ চলছিল, তবে কয়েক দিন আগেই তা মীমাংসা হয়েছিল। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বৃহস্পতিবার রাত প্রায় তিনটার দিকে ১০–১২ জন লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এতে তারা প্রাণে বেঁচে যান। পাঁচবিবি থানার ডিউটি অফিসার এএসআই নুরুন নবী জানান, প্রাথমিকভাবে এটি পারিবারিক বিরোধজনিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে প্রকৃত কারণ তদন্ত ছাড়া নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। মরদেহের ময়নাতদন্তের প্রস্তুতি চলছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। উল্লেখ্য, এর একদিন আগে বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাজধানীর তেজগাঁও এলাকায় ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য সচিব আজিজুর রহমান মুসাব্বিরকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। ওই ঘটনায় আবু সুফিয়ান ব্যাপারি মাসুদ (৪২) নামের এক ব্যবসায়ী গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন।

ঢাকায় স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে গুলি করে হত্যার ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার জয়পুরহাটে যুবদল কর্মী হত্যার ঘটনা ঘটেছে। জেলার পাঁচবিবি উপজেলায় ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন এক যুবদল কর্মী। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার শালাইপুর বাজার এলাকার ঢাকারপাড়া রাস্তার মোড়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে জয়পুরহাট […]

মনোনয়ন বাতিল নিয়ে ইসিতে হাসনাত ও মঞ্জুরুলের পাল্টাপাল্টি আবেদন

মনোনয়ন বাতিল নিয়ে ইসিতে হাসনাত ও মঞ্জুরুলের পাল্টাপাল্টি আবেদন কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনে বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও জামায়াত-এনসিপি জোট প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ। অন্যদিকে একই দিনে হাসনাত আব্দুল্লাহর মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে পাল্টা আবেদন জমা দিয়েছেন বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনের সামনে স্থাপিত স্থায়ী আপিল বুথে উভয় পক্ষের আবেদন জমা পড়ে। নির্বাচন কমিশন সূত্র জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এসব আপিল আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে। সূত্র আরও জানায়, যাচাই-বাছাই শেষে সংশ্লিষ্ট আপিল কর্তৃপক্ষ আবেদনগুলোর ওপর শুনানি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবে। কেবল কুমিল্লা-৪ আসন নয়, দেশের আরও বিভিন্ন আসনেও বিএনপি প্রার্থীদের মনোনয়ন নিয়ে আপিল ও বাতিলের আবেদন জমা পড়েছে। কিছু ক্ষেত্রে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরাও আপত্তি তুলেছেন। প্রসঙ্গত, মনোনয়ন সংক্রান্ত আপিল আবেদনের শুনানি আগামী ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের বেজমেন্ট-২ অডিটোরিয়ামে এসব শুনানি গ্রহণ করা হবে। নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৭০টি করে আপিল আবেদনের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনে বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও জামায়াত-এনসিপি জোট প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ। অন্যদিকে একই দিনে হাসনাত আব্দুল্লাহর মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে পাল্টা আবেদন জমা দিয়েছেন বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনের সামনে […]

কেন বাংলাদেশে জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান বিক্রি করতে আগ্রহী পাকিস্তান

কেন বাংলাদেশে জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান বিক্রি করতে আগ্রহী পাকিস্তান নতুন বছরের শুরুতেই পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সামরিক সম্পর্ক নিয়ে নতুন আলোচনা সামনে এসেছে। পাকিস্তান বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল জহির আহমেদ বাবর সিধু ও বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খানের বৈঠকের পর বাংলাদেশকে জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান সরবরাহের সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়েছে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী। পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর গণমাধ্যম শাখা আইএসপিআর জানায়, বৈঠকে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রধান পাকিস্তান বিমানবাহিনীর যুদ্ধ সক্ষমতার প্রশংসা করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের পুরোনো বিমান বহর আধুনিকীকরণ, আকাশ প্রতিরক্ষা রাডার ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং আকাশ নজরদারি সক্ষমতা বাড়াতে সহযোগিতা চান তিনি। আইএসপিআরের বিবৃতিতে বলা হয়, পাকিস্তান দ্রুত সুপার মুশশাক প্রশিক্ষণ বিমান সরবরাহে সম্মত হয়েছে। একই সঙ্গে জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান কেনা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। সুপার মুশশাক একটি হালকা প্রশিক্ষণ বিমান, যা এক ইঞ্জিনচালিত এবং দুই থেকে তিন আসনের। পাইলট প্রশিক্ষণে ব্যবহৃত এই বিমান বর্তমানে পাকিস্তান ছাড়াও তুরস্ক, আজারবাইজান, ইরান, ইরাকসহ একাধিক দেশে ব্যবহৃত হচ্ছে। বাংলাদেশের সঙ্গে এই আলোচনার পরদিনই বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, পাকিস্তান ও সৌদি আরব প্রায় ২০০ কোটি ডলারের ঋণকে জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান সরবরাহ চুক্তিতে রূপান্তর করার বিষয়েও আলোচনা চালাচ্ছে। গত বছরের সেপ্টেম্বরে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের পর সামরিক সহযোগিতা আরও জোরদার হয়। এর আগে, গত ডিসেম্বরে পাকিস্তানের সঙ্গে লিবিয়ার বিদ্রোহী গোষ্ঠী লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মির প্রায় ৪০০ কোটি ডলারের একটি সামরিক চুক্তির খবর প্রকাশিত হয়, যেখানে এক ডজনের বেশি জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান বিক্রির বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে দাবি করা হয়। যদিও এসব চুক্তি নিয়ে পাকিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু নিশ্চিত করেনি। বাংলাদেশও এখন পর্যন্ত কেবল আগ্রহ প্রকাশ করেছে, কোনো চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি। বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৫ সালের সামরিক ঘটনাপ্রবাহ জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমানের প্রতি আন্তর্জাতিক আগ্রহ বাড়িয়ে দিয়েছে। তুলনামূলকভাবে কম দাম—প্রতিটি বিমানের মূল্য আনুমানিক ২ কোটি ৫০ লাখ থেকে ৩ কোটি ডলার—হওয়ায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর কাছে এটি কার্যকর ও বাস্তবসম্মত বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে নাইজেরিয়া, মিয়ানমার ও আজারবাইজান এই যুদ্ধবিমান তাদের বিমানবহরে যুক্ত করেছে। চলতি বছরের মে মাসে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চার দিনের তীব্র আকাশযুদ্ধের পর পাকিস্তানের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। কাশ্মীর অঞ্চলে এক হামলায় ২৬ বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার পর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। পাকিস্তান দাবি করে, সংঘর্ষে তারা একাধিক ভারতীয় যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে। ভারতীয় কর্মকর্তারা ক্ষয়ক্ষতির কথা স্বীকার করলেও নির্দিষ্ট সংখ্যা প্রকাশ করেননি। সাবেক পাকিস্তান বিমানবাহিনীর কর্মকর্তা আদিল সুলতানের মতে, তুলনামূলকভাবে কম দামের হলেও জেএফ-১৭ উন্নত পশ্চিমা ও রুশ যুদ্ধবিমানের বিপরীতে কার্যকর পারফরম্যান্স দেখিয়েছে, যা একে অনেক দেশের কাছে আকর্ষণীয় করে তুলেছে। সাম্প্রতিক সংঘাতে ভারত ব্যবহার করে রুশ মিরাজ-২০০০, সুখোই-৩০ এবং ফরাসি রাফাল যুদ্ধবিমান। বিপরীতে পাকিস্তান মাঠে নামায় চীনা জে-১০সি, জেএফ-১৭ এবং যুক্তরাষ্ট্রের এফ-১৬। পাকিস্তান বিমানবাহিনীর দাবি অনুযায়ী, ৪২টি পাকিস্তানি বিমান ৭২টি ভারতীয় বিমানের মুখোমুখি হয়েছিল। এই প্রেক্ষাপটেই প্রশ্ন উঠছে—জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমানের সক্ষমতা কতটা এবং কেন বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ এটিকে ভবিষ্যৎ বিমানবহরের অংশ করতে আগ্রহ দেখাচ্ছে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, কম খরচ, আধুনিক প্রযুক্তি ও বাস্তব যুদ্ধের অভিজ্ঞতা জেএফ-১৭কে বৈশ্বিক প্রতিরক্ষা বাজারে নতুন গুরুত্ব এনে দিয়েছে।

নতুন বছরের শুরুতেই পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সামরিক সম্পর্ক নিয়ে নতুন আলোচনা সামনে এসেছে। পাকিস্তান বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল জহির আহমেদ বাবর সিধু ও বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খানের বৈঠকের পর বাংলাদেশকে জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান সরবরাহের সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়েছে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী। পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর গণমাধ্যম শাখা আইএসপিআর জানায়, বৈঠকে বাংলাদেশ […]

বিপিএল ছাড়ার হুঁশিয়ারি ঢাকা ক্যাপিটালসের

বিপিএল ছাড়ার হুঁশিয়ারি ঢাকা ক্যাপিটালসের

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি বাইরের নানা চাপে পড়েছে ঢাকা ক্যাপিটালস। টুর্নামেন্ট চলাকালে কোনো পূর্বানুমতি ছাড়াই বিসিবির ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের একাধিক পদক্ষেপে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে বিপিএলে থাকা কঠিন হয়ে পড়বে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ক্লাবটির প্রধান নির্বাহী আতিক ফাহাদ। ঢাকা ক্যাপিটালসের অভিযোগ, স্বচ্ছতার অজুহাতে হঠাৎ করেই আফগান ওপেনার রাহমানউল্লাহ গুরবাজের […]

মুসাব্বির হত্যার নতুন সিসিটিভি ফুটেজ পুলিশের হাতে

মুসাব্বির হত্যার নতুন সিসিটিভি ফুটেজ পুলিশের হাতে, গ্রেপ্তার এখনও হয়নি ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য সচিব আজিজুর রহমান মুসাব্বির হত্যার দুই দিন পেরিয়ে গেলেও এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। তবে এই হত্যাকাণ্ড সম্পর্কিত আরও একটি নতুন সিসিটিভি ফুটেজ পুলিশের হাতে এসেছে, যা তদন্তকে ত্বরান্বিত করতে সাহায্য করবে। তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ক্যশৈনু মারমা জানান, “নতুন পাওয়া ভিডিও ফুটেজে শুটারদের চেহারা আরও স্পষ্ট। ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।” মুসাব্বির হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর বসুন্ধরা শপিংমল এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দা ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ করেছেন। পরে বিক্ষোভকারীরা মিছিল নিয়ে ফার্মগেট হয়ে তেজগাঁও থানার সামনে এসে অবস্থান নেন এবং দ্রুততম সময়ে হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান। উল্লেখ্য, বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাতের দিকে রাজধানীর পশ্চিম তেজতুরি পাড়ায় দুর্বৃত্তরা সাবেক এই নেতাকে গুলি করে আহত করে। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য সচিব আজিজুর রহমান মুসাব্বির হত্যার দুই দিন পেরিয়ে গেলেও এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। তবে এই হত্যাকাণ্ড সম্পর্কিত আরও একটি নতুন সিসিটিভি ফুটেজ পুলিশের হাতে এসেছে, যা তদন্তকে ত্বরান্বিত করতে সাহায্য করবে। তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ক্যশৈনু মারমা জানান, “নতুন পাওয়া ভিডিও ফুটেজে শুটারদের চেহারা আরও স্পষ্ট। […]

গাজার জলসীমায় প্রবেশের অভিযোগে মিশরীয় নৌযানে গুলি চালাল ইসরায়েল

গাজার জলসীমায় প্রবেশের অভিযোগে মিশরীয় নৌযানে গুলি চালাল ইসরায়েল গাজা উপত্যকার জলসীমায় প্রবেশের অভিযোগে মিশরের একটি যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে সতর্কতামূলক গুলি চালিয়েছে ইসরায়েলি নৌবাহিনী। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হিব্রু ভাষার গণমাধ্যম চ্যানেল ১৩ এ তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, মিশরীয় নৌযানটি গাজার এমন একটি জলসীমায় প্রবেশ করে, যাকে ইসরায়েল নিষিদ্ধ এলাকা হিসেবে বিবেচনা করে। বিষয়টি শনাক্ত হওয়ার পরপরই ইসরায়েলি নৌবাহিনী জাহাজটির দিকে সতর্কতামূলক গুলি ছোড়ে। চ্যানেল ১৩ জানিয়েছে, জাহাজটি সিনাই উপদ্বীপ থেকে যাত্রা করে ইসরায়েলি নৌ-অবরোধের আওতাভুক্ত এলাকায় প্রবেশ করে। ইসরায়েলি রাডারে গতিবিধি ধরা পড়লে আশদোদ নৌঘাঁটি থেকে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করা হয়। ইসরায়েলি সেনারা প্রথমে মিশরীয় নৌযানটিকে নিজ জলসীমায় ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দিলেও সেটি গাজার দিকে অগ্রসর হতে থাকে। পরে ইসরায়েলি জাহাজগুলো থেকে সতর্কতামূলক গুলি চালানো হলে নৌযানটি দিক পরিবর্তন করে মিশরের জলসীমায় ফিরে যায়। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এই ঘটনার জন্য মিশর দায় স্বীকার করেছে। নৌ-অবরোধ লঙ্ঘনের ঘটনায় সৃষ্ট উত্তেজনার পর সমুদ্রসীমায় নজরদারি আরও জোরদার করেছে ইসরায়েল। সূত্র: মিডলইস্ট মনিটর

গাজা উপত্যকার জলসীমায় প্রবেশের অভিযোগে মিশরের একটি যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে সতর্কতামূলক গুলি চালিয়েছে ইসরায়েলি নৌবাহিনী। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হিব্রু ভাষার গণমাধ্যম চ্যানেল ১৩ এ তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, মিশরীয় নৌযানটি গাজার এমন একটি জলসীমায় প্রবেশ করে, যাকে ইসরায়েল নিষিদ্ধ এলাকা হিসেবে বিবেচনা করে। বিষয়টি শনাক্ত হওয়ার পরপরই ইসরায়েলি নৌবাহিনী জাহাজটির দিকে সতর্কতামূলক গুলি ছোড়ে। চ্যানেল ১৩ […]

ইরানে বিক্ষোভে নিহত ৪৫, ট্রাম্পের ‘কঠোর’ হুমকি

### ইরানে বিক্ষোভে নিহত ৪৫, ট্রাম্পের ‘কঠোর’ হুমকি ইরানে অর্থনৈতিক সংকটকে কেন্দ্র করে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৪৫ জনে দাঁড়িয়েছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর বরাতে ফক্স নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর দমন-পীড়নের মধ্যেই দেশজুড়ে বিক্ষোভ আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। রাজধানী তেহরান ছাড়াও কোম, ইসফাহান, বন্দর আব্বাস ও বোজনুর্দসহ বিভিন্ন শহরে বড় ধরনের বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে ইসফাহানে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান ব্রডকাস্টিং (আইআরআইবি) ভবনে আগুন দেওয়ার দৃশ্য দেখা গেলেও কঠোর তথ্যনিয়ন্ত্রণের কারণে সেগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এ পরিস্থিতিতে বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলা হলে ইরানকে ‘খুব কঠোর’ জবাব দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা হলে যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপের জন্য প্রস্তুত থাকবে। অন্যদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ‘সর্বোচ্চ সংযম’ দেখানোর আহ্বান জানিয়েছেন। তবে মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দাবি, আন্দোলন শুরুর পর থেকে প্রাণহানি ক্রমেই বাড়ছে। বিক্ষোভ ঘিরে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির জবাবে ইরান তার সামরিক বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রেখেছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোয় হামলার হুমকি দিয়েছে। এদিকে দেশজুড়ে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ায় তথ্যপ্রবাহ সীমিত হয়ে পড়েছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও রিয়ালের অবমূল্যায়নের প্রতিবাদে শুরু হওয়া এই আন্দোলনে নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে, যদিও সরকারি পক্ষ বলছে, দাঙ্গাকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষেই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

ইরানে অর্থনৈতিক সংকটকে কেন্দ্র করে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৪৫ জনে দাঁড়িয়েছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর বরাতে ফক্স নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর দমন-পীড়নের মধ্যেই দেশজুড়ে বিক্ষোভ আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। রাজধানী তেহরান ছাড়াও কোম, ইসফাহান, বন্দর আব্বাস ও বোজনুর্দসহ বিভিন্ন শহরে বড় ধরনের বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে […]

দাউদকান্দিতে তিন যানবাহনের সংঘর্ষের পর ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত ৪

দাউদকান্দিতে তিন যানবাহনের সংঘর্ষের পর ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, দগ্ধ হয়ে নিহত ৪ কুমিল্লার দাউদকান্দিতে যাত্রীবাহী বাস, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষের পর ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে দগ্ধ হয়ে দুই শিশুসহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন। শুক্রবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি উপজেলার বানিয়াপাড়া এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইকবাল বাহার মজুমদার জানান, নিহতদের মধ্যে তিনজন বাসের যাত্রী এবং একজন মোটরসাইকেল চালক। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী সিডিএম পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কে উল্টে যায়। বাসটি উল্টে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আগুন ধরে যায়। এ সময় বাসটির সঙ্গে একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও একটি মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে দগ্ধ হয়ে চারজনের মৃত্যু হয় এবং অন্তত ৩০ জন আহত হন। দুর্ঘটনার পর চট্টগ্রামমুখী লেনে বানিয়াপাড়া থেকে গৌরীপুর পর্যন্ত প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দাউদকান্দি ইউনিট, দাউদকান্দি হাইওয়ে পুলিশ এবং কুমিল্লার সহকারী পুলিশ সুপার ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি সড়ক থেকে সরিয়ে নেওয়া হলে দুপুর দুইটার দিকে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে যাত্রীবাহী বাস, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষের পর ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে দগ্ধ হয়ে দুই শিশুসহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন। শুক্রবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি উপজেলার বানিয়াপাড়া এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইকবাল বাহার মজুমদার জানান, নিহতদের মধ্যে তিনজন […]