Editorial News 24

ইউজিসির বদলে উচ্চশিক্ষা কমিশন: বিশ্ববিদ্যালয় র‍্যাঙ্কিংসহ আসছে বড় পরিবর্তন

ইউজিসির বদলে উচ্চশিক্ষা কমিশন: বিশ্ববিদ্যালয় র‍্যাঙ্কিংসহ আসছে বড় পরিবর্তন দেশের উচ্চশিক্ষা খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) বিলুপ্ত করে গঠন করা হচ্ছে বাংলাদেশ উচ্চশিক্ষা কমিশন। অন্তর্বর্তী সরকার ইতিমধ্যে ‘উচ্চশিক্ষা কমিশন অধ্যাদেশ–২০২৫’-এর খসড়া প্রস্তুত করেছে, যেখানে নতুন কমিশনের ক্ষমতা, মর্যাদা ও কার্যপরিধি বর্তমান ইউজিসির তুলনায় বহুগুণ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। খসড়া অনুযায়ী, উচ্চশিক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যানের পদমর্যাদা হবে পূর্ণ মন্ত্রীর সমান। কমিশনারদের মর্যাদা নির্ধারণ করা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতির সমপর্যায়ের। সদস্যসংখ্যাও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে উচ্চশিক্ষার বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত করা যায়। বর্তমানে দেশে সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে অনুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ১৭২। এর মধ্যে সরকারি ৫৬টি এবং বেসরকারি ১১৬টি। অধিভুক্ত কলেজ ও মাদ্রাসাসহ উচ্চশিক্ষা খাতে মোট শিক্ষার্থী রয়েছে ৪৮ লাখের বেশি। বিপুল এই খাতের বিস্তার ঘটলেও ইউজিসির কার্যকর ক্ষমতা সীমিত হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরেই এটিকে শক্তিশালী করার দাবি উঠে আসছিল। এজন্য ইউজিসিকে অনেকেই ‘নখদন্তহীন বাঘ’ বলে আখ্যা দেন। ১৯৭২ সালে মাত্র ছয়টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে ইউজিসির যাত্রা শুরু হয়েছিল। পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে সংস্থাটি মূলত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অর্থ বরাদ্দ ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ প্রদানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে সরাসরি ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা না থাকায় উচ্চশিক্ষা কমিশন গঠনের উদ্যোগ একাধিকবার নেওয়া হলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। এবার নতুন করে গঠিত হতে যাওয়া কমিশন হবে অনেক বেশি স্বাধীন ও ক্ষমতাসম্পন্ন। কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওপর নির্ভরশীল থাকতে হবে না; বরং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা কমিশন নিজেই নিতে পারবে। ঢাকায় থাকবে কমিশনের প্রধান কার্যালয় এবং প্রয়োজনে বিভাগীয় বা আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপনের সুযোগও রাখা হয়েছে—যা বর্তমান ইউজিসির ক্ষেত্রে নেই। নিয়োগ ও যোগ্যতার মানদণ্ড সার্চ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের নিয়োগ দেওয়া হবে। তাঁদের মেয়াদ হবে চার বছর, দ্বিতীয় মেয়াদে পুনর্নিয়োগের সুযোগ থাকবে। চেয়ারম্যান হতে হলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতিমান প্রতিষ্ঠান থেকে পিএইচডিধারী শিক্ষাবিদ হতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে কমপক্ষে ২৫ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা, যার মধ্যে অন্তত ১৫ বছর অধ্যাপক পদে থাকার শর্ত দেওয়া হয়েছে। তিন বছর পরপর প্রকাশ হবে বিশ্ববিদ্যালয় র‍্যাঙ্কিং নতুন অধ্যাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—প্রতি তিন বছর পরপর দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর র‍্যাঙ্কিং প্রকাশ করা। মানদণ্ড নির্ধারণ করে পিছিয়ে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বিশেষ তদারকির আওতায় আনার পরিকল্পনাও রয়েছে। এতে উচ্চশিক্ষার গুণগত মান বাড়ানোর প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। খসড়ায় শিক্ষা ও গবেষণার চাহিদা নিরূপণ, নীতি ও পরিকল্পনা প্রণয়ন, বাজেট বাস্তবায়ন তদারকি এবং দেশি–বিদেশি গবেষণা প্রকল্প মূল্যায়নের দায়িত্ব কমিশনের ওপর অর্পণের কথা বলা হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পাঠ্যক্রম উন্নয়ন, ক্রেডিট স্থানান্তর এবং শিক্ষক–শিক্ষার্থী বিনিময় কর্মসূচিতেও কমিশন ভূমিকা রাখবে। এ ছাড়া কমিশন প্রয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন, হিসাব তলব ও মূল্যায়ন করে ব্যবস্থা নিতে পারবে। অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে স্বপ্রণোদিত হয়ে তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাও থাকবে সংস্থাটির। কোনো বিশ্ববিদ্যালয় নির্দেশনা প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে অর্থ বরাদ্দ স্থগিত, কোর্স অনুমোদন বাতিল কিংবা ভর্তি কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিতে পারবে কমিশন। তবে এসব সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় ৩০ দিনের মধ্যে রিভিউ আবেদন করতে পারবে। সেখানে সন্তুষ্ট না হলে আচার্য তথা রাষ্ট্রপতির কাছে আপিলের সুযোগ থাকবে। অংশীজনদের মতামত আহ্বান শিক্ষা মন্ত্রণালয় খসড়া অধ্যাদেশটি মতামতের জন্য বিভিন্ন অংশীজনের কাছে পাঠিয়েছে এবং মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করেছে। গত ১০ ডিসেম্বর থেকে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে এ বিষয়ে মতামত দেওয়া যাবে। প্রাপ্ত মতামত পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। শিক্ষাবিদদের প্রতিক্রিয়া প্রস্তাবিত উচ্চশিক্ষা কমিশন গঠনের উদ্যোগকে সময়োপযোগী বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদদের বড় একটি অংশ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এস এম হাফিজুর রহমান বলেন, ‘বর্তমানে ইউজিসির লোকবল কম এবং কাজের স্বাধীনতাও সীমিত। উচ্চশিক্ষা কমিশন গঠন করে যোগ্য লোকবল বাড়ানো হলে এটি উচ্চশিক্ষার জন্য ইতিবাচক হবে।’ তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, নতুন কমিশনের ক্ষেত্রেও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যথাযথ তদারকি কাঠামো গড়ে উঠলে উচ্চশিক্ষার মাননিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ব্যবস্থাপনায় কার্যকর সমন্বয় সম্ভব হবে।

দেশের উচ্চশিক্ষা খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) বিলুপ্ত করে গঠন করা হচ্ছে বাংলাদেশ উচ্চশিক্ষা কমিশন। অন্তর্বর্তী সরকার ইতিমধ্যে ‘উচ্চশিক্ষা কমিশন অধ্যাদেশ–২০২৫’-এর খসড়া প্রস্তুত করেছে, যেখানে নতুন কমিশনের ক্ষমতা, মর্যাদা ও কার্যপরিধি বর্তমান ইউজিসির তুলনায় বহুগুণ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। খসড়া অনুযায়ী, উচ্চশিক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যানের পদমর্যাদা হবে পূর্ণ মন্ত্রীর সমান। কমিশনারদের মর্যাদা নির্ধারণ করা […]

বিশ্বকাপ খেলতে বাংলাদেশকে ভারতেই যেতে হবে—ক্রিকইনফোর দাবি অসত্য বলল বিসিবি

বিশ্বকাপ খেলতে বাংলাদেশকে ভারতেই যেতে হবে—ক্রিকইনফোর দাবি অসত্য বলল বিসিবি টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিতে নিরাপত্তাশঙ্কায় ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়ে আইসিসিকে পাঠানো মেইলের জবাব পেয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এ বিষয়ে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানিয়েছে, বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের পূর্ণাঙ্গ ও নিরবচ্ছিন্ন অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে আইসিসি। বিসিবির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশের উত্থাপিত উদ্বেগগুলো সমাধানের জন্য আইসিসি নিবিড়ভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে টুর্নামেন্টের নিরাপত্তা–পরিকল্পনা চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে বিসিবির মতামতকে স্বাগত জানানো হবে এবং যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হবে—এমন আশ্বাসও দিয়েছে সংস্থাটি। গতকাল রাতে ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ইএসপিএনক্রিকইনফোর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, বিশ্বকাপ খেলতে হলে বাংলাদেশ দলকে ভারতেই যেতে হবে এবং বিসিবিকে এ বিষয়ে আলটিমেটাম দেওয়া হয়েছে। তবে বিসিবি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, ওই দাবি সম্পূর্ণ অসত্য। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানায়, ‘কিছু গণমাধ্যমে প্রচারিত প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে যে বোর্ডকে “আলটিমেটাম” দেওয়া হয়েছে। আমরা দৃঢ়ভাবে জানাচ্ছি, এসব খবর পুরোপুরি ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও অসত্য। আইসিসি থেকে প্রাপ্ত বার্তার বিষয়বস্তুর সঙ্গে এ ধরনের প্রতিবেদনের কোনো মিল নেই।’ ভবিষ্যৎ করণীয় সম্পর্কেও নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছে বিসিবি। বোর্ড জানিয়েছে, জাতীয় দলের নিরাপত্তা ও খেলোয়াড়দের সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার নীতিতে তারা অটল রয়েছে। ২০২৬ সালের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দলের স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে আইসিসি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পেশাদার ও সহযোগিতামূলক মনোভাব নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা চালিয়ে যাবে বিসিবি। বিসিবির ভাষ্য, চলমান আলোচনার মাধ্যমে একটি সন্তোষজনক ও বাস্তবসম্মত সমাধান খুঁজে বের করাই এখন তাদের প্রধান লক্ষ্য।

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিতে নিরাপত্তাশঙ্কায় ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়ে আইসিসিকে পাঠানো মেইলের জবাব পেয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এ বিষয়ে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানিয়েছে, বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের পূর্ণাঙ্গ ও নিরবচ্ছিন্ন অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে আইসিসি। বিসিবির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশের উত্থাপিত উদ্বেগগুলো সমাধানের জন্য আইসিসি নিবিড়ভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ […]

বিশ্বকাপ খেলতে হলে ভারতেই যেতে হবে: বাংলাদেশকে জানিয়েছে আইসিসি

বিশ্বকাপ খেলতে হলে ভারতেই যেতে হবে: বাংলাদেশকে জানিয়েছে আইসিসি টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ইএসপিএন–ক্রিকইনফোর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বিশ্বকাপে অংশ নিতে হলে বাংলাদেশ দলকে ভারতেই যেতে হবে—এমন বার্তা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) দিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। প্রতিবেদনে বলা হয়, গতকাল আইসিসি ও বিসিবির মধ্যে একটি ভার্চ্যুয়াল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে আইসিসি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়, বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারত থেকে অন্য কোনো দেশে সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ তাদের পক্ষে গ্রহণ করা সম্ভব নয়। আইসিসির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, ভারত সফরে না গেলে বাংলাদেশ পয়েন্ট হারানোর ঝুঁকিতে পড়তে পারে। তবে এ বিষয়ে বিসিবির অবস্থান ভিন্ন। বোর্ডের দাবি, আইসিসি তাদের কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা আলটিমেটাম দেয়নি। বৈঠকের পর এখন পর্যন্ত আইসিসি বা বিসিবির পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতিও দেওয়া হয়নি। উল্লেখ্য, গত রোববার বিসিবি আইসিসিকে চিঠি দিয়ে ভারতের বাইরে বাংলাদেশের ম্যাচ আয়োজনের বিষয়টি ‘বিবেচনা’ করার অনুরোধ জানায়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়। বিশ্বকাপ শুরুর মাত্র এক মাস আগে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় উদ্বেগ বেড়েছে। ২০ দলের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে চলবে ৮ মার্চ পর্যন্ত। আসরের যৌথ আয়োজক ভারত ও শ্রীলঙ্কা। গ্রুপ ‘সি’-তে থাকা বাংলাদেশের প্রথম তিনটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা কলকাতায়। ৭ ফেব্রুয়ারি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হবে। এরপর ৯ ফেব্রুয়ারি ইতালি এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে টাইগাররা। গ্রুপ পর্বে শেষ ম্যাচ ১৭ ফেব্রুয়ারি, মুম্বাইয়ে—প্রতিপক্ষ নেপাল। বিসিবির ভারতের বাইরে ম্যাচ আয়োজনের অনুরোধের পেছনে রয়েছে আরেকটি বিতর্কিত ঘটনা। গত ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত আইপিএল নিলামে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে বাংলাদেশের পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে দলে নিয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর)। তিনি ছিলেন ২০২৬ আইপিএল নিলামে দল পাওয়া একমাত্র বাংলাদেশি ক্রিকেটার। তবে সম্প্রতি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) কেকেআরকে মোস্তাফিজকে দল থেকে বাদ দিতে নির্দেশ দেয়। বিসিসিআইয়ের সচিব দেবজিত সাইকিয়া বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করলেও এর কারণ ব্যাখ্যা করেননি। জানা গেছে, এ বিষয়ে আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের কোনো বৈঠকও হয়নি। এই ঘটনার পর থেকেই নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে বিসিবি ঘোষণা দেয়, আসন্ন টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে কোনো ম্যাচ খেলবে না বাংলাদেশ। এমনকি সর্বোচ্চ নিরাপত্তার আশ্বাস পেলেও তারা এই অবস্থান থেকে সরে আসবে না বলে জানায় বোর্ড। বিসিবির মতে, বিশ্বকাপ উপলক্ষে দলের বাইরে বাংলাদেশ থেকে আরও অনেক মানুষ ভারতে যাবেন, যাঁদের নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কা রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ভারতে গিয়ে খেলা ঝুঁকিপূর্ণ। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিসিবির এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা চাই বিশ্বকাপে খেলতে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেটা সম্ভব নয়। সরকার ভেবেচিন্তেই একটি অবস্থান নিয়েছে, আমাদের তার বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। সরকার নির্দেশ দিলে তবেই ভারতে দল পাঠানো সম্ভব।’ এদিকে, আইসিসি যদি বাংলাদেশের ম্যাচ ভারত থেকে সরাতে রাজি না হয় এবং তাদের সিদ্ধান্তে অনড় থাকে, তাহলে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ইএসপিএন–ক্রিকইনফোর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বিশ্বকাপে অংশ নিতে হলে বাংলাদেশ দলকে ভারতেই যেতে হবে—এমন বার্তা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) দিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। প্রতিবেদনে বলা হয়, গতকাল আইসিসি ও বিসিবির মধ্যে একটি ভার্চ্যুয়াল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে আইসিসি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়, বাংলাদেশের […]