Editorial News 24

১২৩ বার পেছালো সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন

১২৩ বার পেছালো সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা না হওয়ায় ১২৩ বার তারিখ পেছানো হয়েছে। মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আদালত আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি নতুন দিন ধার্য করেছেন। সোমবার (৫ জানুয়ারি) প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য থাকলেও তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পিবিআইর অতিরিক্ত এসপি মো. আজিজুল হক আদালতে হাজির থাকলেও প্রতিবেদন জমা দিতে পারেননি। তাই ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম নতুন দিন ধার্য করেন। মামলার ঘটনা প্রসঙ্গে বলা যায়, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারে মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি নিজেদের ভাড়া বাসায় নির্মমভাবে খুন হন। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়। রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় আসামি করা হয়েছে রুনির বন্ধু তানভীর রহমান সহ আটজনকে। এছাড়া বাড়ির নিরাপত্তারক্ষী এনাম আহমেদ (হুমায়ুন কবির), রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু (মাসুম মিন্টু), কামরুল হাসান অরুণ, পলাশ রুদ্র পাল ও আবু সাঈদ-কেও আসামি করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মামলার তদন্তভার শেরেবাংলা নগর থানার এসআই এর কাছে থাকলেও চার দিন পর এটি ডিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়। দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করার পরও রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয় ডিবি। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল তদন্তভার র্যাবের কাছে যায়। গত ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন। এরপর ১৮ অক্টোবর পিবিআই প্রধানকে আহ্বায়ক করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ৪ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স কমিটি গঠন করে, যা ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার জন্য বলা হয়। তবে এখনো এই কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি।

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা না হওয়ায় ১২৩ বার তারিখ পেছানো হয়েছে। মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আদালত আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি নতুন দিন ধার্য করেছেন। সোমবার (৫ জানুয়ারি) প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য থাকলেও তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পিবিআইর অতিরিক্ত এসপি মো. আজিজুল হক আদালতে হাজির থাকলেও প্রতিবেদন জমা দিতে […]

আওয়ামী লীগের শাসনামলে গুম: অন্তত ২৫১ জন এখনও নিখোঁজ

আওয়ামী লীগের শাসনামলে গুম: অন্তত ২৫১ জন এখনও নিখোঁজ গণ-অভ্যুত্থানের আগে আওয়ামী লীগের দেড় দশকের শাসনকালে অন্তত ১,৫৬৯টি গুমের ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে অন্তত ২৫১ জন এখনও নিখোঁজ। গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশন জানিয়েছে, নিখোঁজ ব্যক্তিদের মৃত হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। এর বাইরে গুম হওয়ার নির্দিষ্ট সময় পর আরও ৩৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্ত কমিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কমিশনে জমা পড়া ১,৯১৩টি অভিযোগের মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে ১,৫৬৯টি গুম হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে। এর মধ্যে ২৮৭টি অভিযোগ ‘মিসিং অ্যান্ড ডেড’ ক্যাটাগরিতে পড়েছে। তবে কমিশন ধারণা করছে, প্রকৃত গুমের সংখ্যা জমা পড়া অভিযোগের চেয়ে অনেক বেশি—প্রায় ৪,০০০ থেকে ৬,০০০ পর্যন্ত হতে পারে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, গুমের ঘটনাগুলোতে র‍্যাব, পুলিশ, ডিজিএফআইসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার নাম এসেছে। বছরভিত্তিক ও বাহিনীভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মোট অভিযোগের প্রায় এক-চতুর্থাংশে র‍্যাবের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে। গুম হওয়া ব্যক্তিদের রাজনৈতিক পরিচয়ও প্রতিবেদনভিত্তিকভাবে উঠে এসেছে। মোট ভুক্তভোগীর ৯৬.৭% (৯৪৮ জন) রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় ছিলেন। গুম হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ছিল ৪৭৬ জন (৫০.২%), ইসলামী ছাত্রশিবিরের ২৩৬ জন (২৪.৯%), বিএনপির ১৪২ জন (১৫%), জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ৪৬ জন (৪.৯%) এবং জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৭ জন (১.৮%)। কমিশন বলেছে, গুম রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিরোধী দল ও সংগঠনগুলোর সদস্যদের লক্ষ্যবস্তু করেছে। লিঙ্গভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ১,৫৪৬ জন পুরুষ ও ২৩ জন নারী গুম হয়েছেন। নারী ভুক্তভোগীর সংখ্যা কম হলেও তাদের বিশেষ ঝুঁকি ও দুর্বলতার কারণে তা গুরুত্বপূর্ণ। বছরভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, ২০০৯ সাল থেকে গুমের ঘটনা ধীরে ধীরে বেড়ে ২০১২ সালের পর তীব্র বৃদ্ধি পায়। বিশেষ করে ২০১৩ ও ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গুমের ঘটনা আরও বাড়ে। কমিশন সতর্ক করে বলেছে, এই সংখ্যাকে চূড়ান্ত ঐতিহাসিক নথি হিসেবে ধরা যাবে না, কারণ অনেক ভুক্তভোগী মানসিক ও সামাজিক চাপের কারণে অভিযোগ জমা দেননি।

গণ-অভ্যুত্থানের আগে আওয়ামী লীগের দেড় দশকের শাসনকালে অন্তত ১,৫৬৯টি গুমের ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে অন্তত ২৫১ জন এখনও নিখোঁজ। গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশন জানিয়েছে, নিখোঁজ ব্যক্তিদের মৃত হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। এর বাইরে গুম হওয়ার নির্দিষ্ট সময় পর আরও ৩৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্ত কমিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কমিশনে জমা পড়া ১,৯১৩টি অভিযোগের […]

ভোরে সিলেটসহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলে পরপর দুই দফা ভূমিকম্প

ভোরে সিলেটসহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলে পরপর দুই দফা ভূমিকম্প, আতঙ্ক সিলেটসহ দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অল্প সময়ের ব্যবধানে পরপর দুই দফা ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) ভোরে হঠাৎ করে এসব কম্পনে পুরো এলাকায় মৃদু আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রথম ভূমিকম্পটি অনুভূত হয় ভোর ৪টা ৪৭ মিনিট ৩৯ সেকেন্ডে। এর মাত্র ৩০ সেকেন্ড পর, ভোর ৪টা ৪৭ মিনিট ৫২ সেকেন্ডে দ্বিতীয়বার ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে সিলেট ও আশপাশের এলাকা। অনেকের ঘুম ভেঙে যায়, যদিও কেউ কেউ প্রথমে বিষয়টি বুঝে উঠতে পারেননি। এই ভূমিকম্পের কম্পন শুধু বাংলাদেশেই নয়, প্রতিবেশী ভারতের আসাম রাজ্যেও অনুভূত হয়। পরপর দুটি ভূমিকম্প সংঘটিত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)। একই তথ্য নিশ্চিত করেছেন কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ। ইউএসজিএসের প্রাথমিক তথ্যে ভূমিকম্প দুটির মাত্রা ৫ দশমিক ৪ ও ৫ দশমিক ২ উল্লেখ করা হলেও পরবর্তীতে সংশোধিত তথ্যে তা যথাক্রমে ৫ দশমিক ২ ও ৪ দশমিক ৯ হিসেবে জানানো হয়। সোমবার সকাল ৬টার দিকে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে মোস্তফা কামাল পলাশ জানান, ভোরে একটি নয়, পরপর দুটি ভূমিকম্প সংঘটিত হয়েছে। তাঁর তথ্যমতে, প্রথম ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ২ এবং দ্বিতীয়টির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৪। তিনি জানান, দ্বিতীয় ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের আসাম রাজ্যে। তিনি আরও জানান, দুটি ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল আসাম রাজ্যের রাজধানী গুয়াহাটি সংলগ্ন মরিগাঁও এলাকায়। আমেরিকান ভূতাত্ত্বিক অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, উভয় ভূমিকম্পের উৎপত্তিই হয়েছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার গভীরে। মোস্তফা কামাল পলাশ সতর্ক করে বলেন, ৫ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প মধ্যম মাত্রার হওয়ায় আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আফটারশক হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অথবা দেশের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের যেকোনো সক্রিয় ফল্ট লাইনে আফটারশক অনুভূত হতে পারে। এদিকে এখন পর্যন্ত ভূমিকম্পে কোনো হতাহতের বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

সিলেটসহ দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অল্প সময়ের ব্যবধানে পরপর দুই দফা ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) ভোরে হঠাৎ করে এসব কম্পনে পুরো এলাকায় মৃদু আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রথম ভূমিকম্পটি অনুভূত হয় ভোর ৪টা ৪৭ মিনিট ৩৯ সেকেন্ডে। এর মাত্র ৩০ সেকেন্ড পর, ভোর ৪টা ৪৭ মিনিট ৫২ সেকেন্ডে দ্বিতীয়বার ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে সিলেট ও আশপাশের এলাকা। […]

আগামী ৪৮ ঘণ্টায় আফটারশকের আশঙ্কা

সিলেটসহ আশপাশে পরপর দুই ভূমিকম্প, আগামী ৪৮ ঘণ্টায় আফটারশকের আশঙ্কা সিলেট ও আশপাশের এলাকায় মধ্যরাতে মাত্র ৩০ সেকেন্ডের ব্যবধানে পরপর দুইবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) ভোর ৪টা ৪৭ মিনিট ৩৯ সেকেন্ডে প্রথম ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এর ৩০ সেকেন্ড পর, ভোর ৪টা ৪৭ মিনিট ৫২ সেকেন্ডে দ্বিতীয় দফা ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে পুরো অঞ্চল। পরপর দুটি ভূমিকম্পের বিষয়টি নিশ্চিত করে সোমবার সকাল ৬টার দিকে ফেসবুকে এক পোস্ট দেন কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ। পোস্টে তিনি জানান, আজ ভোরে বাংলাদেশ ও ভারতের আসাম রাজ্যে একযোগে দুটি ভূমিকম্প সংঘটিত হয়েছে। প্রথম ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ২ এবং এর প্রায় ৩০ সেকেন্ড পর সংঘটিত দ্বিতীয় ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৪। দ্বিতীয় ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের আসাম রাজ্যের রাজধানী গোয়াহাটি সংলগ্ন মরিগাঁও এলাকায়। মোস্তফা কামাল পলাশ আরও উল্লেখ করেন, আমেরিকান ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, উভয় ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলই ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার গভীরে। তিনি বলেন, ৫ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পকে মধ্যম মানের হিসেবে ধরা হয়। ফলে এর প্রভাবে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আফটারশক ভূমিকম্পের আশঙ্কা রয়েছে। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কিংবা দেশের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের যেকোনো সক্রিয় ফল্ট লাইনে এ ধরনের আফটারশক ঘটতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

সিলেট ও আশপাশের এলাকায় মধ্যরাতে মাত্র ৩০ সেকেন্ডের ব্যবধানে পরপর দুইবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) ভোর ৪টা ৪৭ মিনিট ৩৯ সেকেন্ডে প্রথম ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এর ৩০ সেকেন্ড পর, ভোর ৪টা ৪৭ মিনিট ৫২ সেকেন্ডে দ্বিতীয় দফা ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে পুরো অঞ্চল। পরপর দুটি ভূমিকম্পের বিষয়টি নিশ্চিত করে সোমবার সকাল ৬টার দিকে ফেসবুকে […]

আইপিএল সম্প্রচার বন্ধ রাখার নির্দেশ সরকারের

আইপিএল সম্প্রচার বন্ধ রাখার নির্দেশ সরকারের ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) ক্রিকেটের সব খেলা ও সংশ্লিষ্ট অনুষ্ঠান পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশে সম্প্রচার বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব ফিরোজ খান সই করেছেন। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) আগামী ২৬ মার্চ ২০২৬ থেকে শুরু হতে যাওয়া আইপিএলে বাংলাদেশের তারকা পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) দল থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে—যা সরকারের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। তবে বিসিসিআইয়ের এ সিদ্ধান্তের পেছনে কোনো যৌক্তিক কারণ পাওয়া যায়নি। এমন সিদ্ধান্তে বাংলাদেশের জনগণ ব্যথিত, মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। এ অবস্থায় জনস্বার্থে এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আইপিএলের সব খেলা ও অনুষ্ঠান প্রচার ও সম্প্রচার বন্ধ রাখার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন ধরেই বাংলাদেশি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানের আসন্ন আইপিএলে অংশগ্রহণ নিয়ে আলোচনা চলছিল। এ সময় ভারতের কট্টর হিন্দুত্ববাদী বিভিন্ন সংগঠন মুস্তাফিজকে বাদ দেওয়ার দাবিতে লাগাতার বিক্ষোভ করে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে বিসিসিআইয়ের সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া মুস্তাফিজকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশনার কথা জানান। পরবর্তীতে কলকাতা নাইট রাইডার্স আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়, মুস্তাফিজুর রহমান আর তাদের স্কোয়াডে নেই।

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) ক্রিকেটের সব খেলা ও সংশ্লিষ্ট অনুষ্ঠান পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশে সম্প্রচার বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব ফিরোজ খান সই করেছেন। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) আগামী […]

মোহাম্মদপুরে স্বর্ণের দোকানে দুঃসাহসিক চুরি, ৭০ ভরি স্বর্ণসহ নগদ অর্থ লুট

মোহাম্মদপুরে স্বর্ণের দোকানে দুঃসাহসিক চুরি, ৭০ ভরি স্বর্ণসহ নগদ অর্থ লুট রাজধানীর মোহাম্মদপুরে একটি স্বর্ণের দোকানে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটেছে। চোরচক্র দোকান থেকে ৭০ ভরি স্বর্ণ, ৬০০ ভরি রুপা ও নগদ চার লাখ টাকা নিয়ে গেছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) ভোর রাতে মোহাম্মদপুরের চন্দ্রিমা বাজারে অবস্থিত নিউ রানা জুয়েলার্স নামের দোকানটির শাটার কেটে ও কলাপসিবল গেট ভেঙে এই চুরির ঘটনা ঘটে। দোকানের মালিক মাসুদ রানা জানান, রোববার রাত আনুমানিক ১১টার দিকে দোকান বন্ধ করে তিনি বাসায় যান। সোমবার সকাল ১০টার দিকে দোকান খুলতে এসে দেখেন কলাপসিবল গেট ও শাটারের তালা ভাঙা। ভেতরে প্রবেশ করে দেখতে পান দোকানে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়েছে এবং সিন্দুকসহ সব স্বর্ণ ও রুপা চুরি হয়ে গেছে। তিনি আরও জানান, দোকানে তার নিজের ৫০ ভরি স্বর্ণ এবং বন্ধকি রাখা ২০ ভরি স্বর্ণ ছিল। চুরি হওয়া ৭০ ভরি স্বর্ণের আনুমানিক মূল্য প্রায় ১ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। পাশাপাশি ৬০০ ভরি রুপার মূল্য প্রায় ২১ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং নগদ চার লাখ টাকা চোরেরা নিয়ে গেছে। দোকানে থাকা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ভোর ৩টা ২১ মিনিটের দিকে একদল চোর দোকানের ভেতরে প্রবেশ করে। তারা গ্লাস ভেঙে সিন্দুক বের করে বেশ কিছুক্ষণ ভেতরে অবস্থান করে। পরে একটি পিকআপ ভ্যানে করে সিন্দুকসহ স্বর্ণ ও রুপা নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান বলেন, চুরির ঘটনা সম্পর্কে পুলিশ অবগত হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশের একাধিক টিম কাজ শুরু করেছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণসহ তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে একটি স্বর্ণের দোকানে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটেছে। চোরচক্র দোকান থেকে ৭০ ভরি স্বর্ণ, ৬০০ ভরি রুপা ও নগদ চার লাখ টাকা নিয়ে গেছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) ভোর রাতে মোহাম্মদপুরের চন্দ্রিমা বাজারে অবস্থিত নিউ রানা জুয়েলার্স নামের দোকানটির শাটার কেটে ও কলাপসিবল গেট ভেঙে এই চুরির ঘটনা ঘটে। দোকানের মালিক মাসুদ রানা জানান, রোববার […]