Editorial News 24

ভোক্তাপর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজির নতুন দাম ১,৩০৬ টাকা

ভোক্তাপর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজির নতুন দাম ১,৩০৬ টাকা

ভোক্তাদের জন্য বেসরকারি খাতের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) কেজি প্রতি দাম বেড়েছে ৪ টাকা ৪২ পয়সা। চলতি জানুয়ারি মাসের জন্য ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১,৩০৬ টাকা। গত মাসে (ডিসেম্বর ২০২৫) ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ছিল ১,২৫৩ টাকা। অর্থাৎ, জানুয়ারিতে ৫৩ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। রোববার বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ […]

ময়মনসিংহে পোশাকশ্রমিক দীপু দাস হত্যা: আরও দুই আসামির রিমান্ড মঞ্জুর

**ময়মনসিংহে পোশাকশ্রমিক দীপু দাস হত্যা: আরও দুই আসামির রিমান্ড মঞ্জুর** ময়মনসিংহের ভালুকায় পোশাকশ্রমিক দীপু চন্দ্র দাস (২৭) হত্যাকাণ্ডের মামলায় আরও দুই আসামির রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার বিকেলে ময়মনসিংহ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শাহাদাত হোসেন শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। রিমান্ডে নেওয়া দুই আসামি হলেন নিবির ইসলাম ওরফে অনিক (২০) এবং মো. এরশাদ (২৭)। নিবির ইসলাম ত্রিশাল উপজেলার ধানীখোলা গ্রামের বাসিন্দা এবং এরশাদ নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জ উপজেলার নেহারা জয়পুর গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশ জানায়, গত মঙ্গলবার নিবির ইসলাম এবং বুধবার সন্ধ্যায় মো. এরশাদকে গ্রেপ্তার করা হয়। নিবির ইসলামকে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে বুধবার এবং এরশাদকে বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির করা হয়েছিল। ময়মনসিংহ আদালতের পরিদর্শক পি এস এম মোস্তাছিনুর রহমান জানান, আদালত উভয় আসামির দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। এর আগে একই মামলায় আরও ১৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল। গত ১৮ ডিসেম্বর রাতে ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের ডুবালিয়াপাড়া এলাকায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে পাইওনিয়ার নিটওয়্যারস (বিডি) লিমিটেড কারখানার শ্রমিক দীপু চন্দ্র দাসকে ধরে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পরে কারখানা থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কের স্কয়ার মাস্টারবাড়ি এলাকায় সড়ক বিভাজকের একটি গাছে ঝুলিয়ে মরদেহে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। নিহত দীপু চন্দ্র দাসের বাড়ি ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার বানিহালা ইউনিয়নের মোকামিয়াকান্দা গ্রামে। এ ঘটনায় তাঁর ভাই অপু চন্দ্র দাস অজ্ঞাতনামা ১৪০ থেকে ১৫০ জনকে আসামি করে মামলা করেন। পুলিশ জানিয়েছে, এ মামলায় এখন পর্যন্ত ২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে পাঁচজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

ময়মনসিংহের ভালুকায় পোশাকশ্রমিক দীপু চন্দ্র দাস (২৭) হত্যাকাণ্ডের মামলায় আরও দুই আসামির রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার বিকেলে ময়মনসিংহ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শাহাদাত হোসেন শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। রিমান্ডে নেওয়া দুই আসামি হলেন নিবির ইসলাম ওরফে অনিক (২০) এবং মো. এরশাদ (২৭)। নিবির ইসলাম ত্রিশাল উপজেলার ধানীখোলা গ্রামের বাসিন্দা এবং […]

জুলাই হত্যাকাণ্ড: ওসি–এসপিদের তালিকা করছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

**জুলাই হত্যাকাণ্ড: ওসি–এসপিদের তালিকা করছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন** জুলাই অভ্যুত্থানের সময় যেসব থানা এলাকায় ছাত্র–জনতা নিহত হয়েছেন, সেসব থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও জেলা পুলিশ সুপার (এসপি)সহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের তালিকা করছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা করা হবে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি। রোববার সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি রিফাত রশিদ এ তথ্য জানান। রিফাত রশিদ বলেন, জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় যেসব থানার আওতায় ছাত্র–জনতাকে হত্যা করা হয়েছে, সেসব থানার ওসি থেকে শুরু করে এসপি ও তদূর্ধ্ব কমান্ডিং অফিসারদের নাম সংগ্রহ করা হচ্ছে। এই তালিকা ট্রাইব্যুনালে জমা দিয়ে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। উল্লেখ্য, সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে দেশব্যাপী আন্দোলন শুরু হয়। তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের দমন–পীড়নের মুখে সেই আন্দোলন একপর্যায়ে গণ–অভ্যুত্থানে রূপ নেয়। এতে বহু হতাহতের ঘটনা ঘটে এবং শেষ পর্যন্ত ক্ষমতাচ্যুত হয়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যান। অভ্যুত্থানের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার জুলাই হত্যাকাণ্ডসহ আওয়ামী লীগের শাসনামলে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করে। এরই মধ্যে একটি মামলায় শেখ হাসিনা ও তাঁর সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়েছে। পাশাপাশি তৎকালীন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল–মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে তিন দফা দাবি ও দুটি কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। প্রথম দাবিতে সংগঠনটি হবিগঞ্জ জেলা শাখার নেতা মাহদী হাসানকে নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়ার পাশাপাশি শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসিকে প্রত্যাহারের দাবি জানায়। দ্বিতীয় দাবিতে জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া ছাত্র, শ্রমিক ও সাধারণ জনগণের ১ জুলাই থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত সব কর্মকাণ্ডের জন্য দায়মুক্তি দিয়ে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অধ্যাদেশ জারির দাবি করা হয়। তৃতীয় দাবিতে জুলাই বিপ্লবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীসহ সামরিক, আধা সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তা–কর্মচারীদের অবদান লিপিবদ্ধ করা, তাঁদের সম্মাননা ও আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং হয়রানি বন্ধে একটি স্থায়ী কমিশন গঠনের আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে পদোন্নতিবঞ্চিত সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তাদের দ্রুত পদোন্নতি ও গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়নের দাবিও তোলা হয়। দুটি কর্মসূচির কথা তুলে ধরে রিফাত রশিদ বলেন, কোনো ধরনের টালবাহানা নয়—এবার অবশ্যই দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি জানান, দায়মুক্তির অধ্যাদেশ জারির দাবিতে রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে আইন ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগ করে চাপ সৃষ্টি করা হবে এবং এই কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। মাহদী হাসানের জামিন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একটি মামলায় জামিন পেলেও তাঁকে এখনো নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়া হয়নি। ফলে তাঁদের প্রথম দাবি পূরণ হয়নি এবং আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। সংবাদ সম্মেলনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখ্য সমন্বয়ক হাসিব আল ইসলামসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতা–কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জুলাই অভ্যুত্থানের সময় যেসব থানা এলাকায় ছাত্র–জনতা নিহত হয়েছেন, সেসব থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও জেলা পুলিশ সুপার (এসপি)সহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের তালিকা করছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা করা হবে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি। রোববার সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বৈষম্যবিরোধী […]

কক্সবাজারে বিএনপির প্রার্থীকে সরে দাঁড়াতে হুমকি, ‘ওসমান হাদির মতো পরিণতি’

কক্সবাজারে বিএনপির প্রার্থীকে সরে দাঁড়াতে হুমকি, ‘ওসমান হাদির মতো পরিণতি’

কক্সবাজার-৪ (উখিয়া–টেকনাফ) আসনে বিএনপির প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরীকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে হুমকি দিয়ে কাফনের কাপড়সহ উড়োচিঠি পাঠানো হয়েছে। রোববার (আজ) ডাকযোগে চিঠিটি পাওয়ার পর তিনি নিজের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে উখিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। শাহজাহান চৌধুরী এই আসনে চারবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং একসময় জাতীয় সংসদের হুইপ ছিলেন। বর্তমানে তিনি কক্সবাজার জেলা বিএনপির সভাপতির […]

ভেনেজুয়েলাকে নিশানা ট্রাম্পের, এরপর কারা হতে পারে লক্ষ্যবস্তু?

**ভেনেজুয়েলাকে নিশানা ট্রাম্পের, এরপর কারা হতে পারে লক্ষ্যবস্তু?** গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একীভূত করা এবং পানামা ক্যানেলে মার্কিন নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই ধারাবাহিকতায় এবার তাঁর সরাসরি নিশানায় ভেনেজুয়েলা। দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে উৎখাতের নির্দেশ দেওয়ার পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশ্ন উঠেছে—এরপর কোন দেশগুলো হতে পারে ট্রাম্পের পরবর্তী লক্ষ্য? ‘একেবারে বুদ্ধিমানের কাজ’—এই শব্দগুলো ট্রাম্প উচ্চারণ করেছিলেন ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২২-এ। সে সময় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন পূর্ব ইউক্রেনের কিছু অংশকে স্বাধীন ঘোষণা করে সেখানে তথাকথিত ‘শান্তিরক্ষী’ বাহিনী পাঠান। পুতিনের ওই পদক্ষেপে ট্রাম্প প্রকাশ্যেই মুগ্ধতা দেখান। এমনকি তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রও চাইলে নিজেদের দক্ষিণ সীমান্তে একই কৌশল প্রয়োগ করতে পারে। তখন ট্রাম্প বুঝতে পারেননি, তিনি একটি পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের সূচনালগ্ন নিয়ে কথা বলছেন—যে যুদ্ধ প্রায় চার বছর ধরে চলছে এবং এতে এখন পর্যন্ত ১৫ লাখের বেশি মানুষ হতাহত হয়েছে। একইভাবে, ভেনেজুয়েলাকে ঘিরে নেওয়া তাঁর বর্তমান সিদ্ধান্তের পরিণতিও তিনি পুরোপুরি উপলব্ধি করছেন কি না, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশটি ইউক্রেন নয়, এমনকি আফগানিস্তান, ইরাক বা লিবিয়ার সঙ্গেও পুরোপুরি তুলনীয় নয়। কিন্তু নিকোলা মাদুরোকে ধরতে সামরিক অভিযানের নির্দেশ দিয়ে ট্রাম্প প্রায় ২ কোটি ৮০ লাখ মানুষের একটি দেশকে গভীর অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক দশকের পররাষ্ট্রনীতির সবচেয়ে কঠিন বাস্তব শিক্ষাটিকেও উপেক্ষা করেছেন—‘রেজিম চেঞ্জ’ বা শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের যুদ্ধ শুরু করা তুলনামূলক সহজ, কিন্তু তা সফলভাবে শেষ করা অত্যন্ত কঠিন। এখন পর্যন্ত ট্রাম্প মূলত প্রথম ধাপেই রয়েছেন। ভেনেজুয়েলার শাসনব্যবস্থা এখনো পুরোপুরি ভেঙে পড়েনি; বরং শীর্ষ নেতৃত্বকে সরিয়ে দিয়ে কাঠামোর ওপর আঘাত করা হয়েছে মাত্র। তবু যুদ্ধ ঘোষণার ভাষণে ট্রাম্পকে দেখা গেছে এক বিজয়ীর ভঙ্গিতে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ‘প্রচণ্ড সামরিক শক্তি’ নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে বড়াই করেন—যেন ইতিহাসে এমন কোনো সামরিক অভিযান নেই, যা পরবর্তী সময়ে বড় ধরনের কৌশলগত বিপর্যয়ে রূপ নেয়নি। এ ক্ষেত্রে বাগদাদে চালানো চোখধাঁধানো অভিযানের উদাহরণ অনেকের মনেই ফিরে আসে। ট্রাম্পের বক্তব্যে মনে হয়েছে, কঠিন অধ্যায় বুঝি শেষ। এখন নাকি শুরু হবে শান্তি, সমৃদ্ধি ও স্বাধীনতার যুগ। তিনি ঘোষণা দেন, ‘আমরা দেশটি চালাতে যাচ্ছি।’ এ লক্ষ্যে ভেনেজুয়েলায় স্থলবাহিনী পাঠানো এবং বিপুল পরিমাণ তেল উত্তোলনের আগ্রহও প্রকাশ করেন। মাদুরো-পরবর্তী ভেনেজুয়েলার জন্য ট্রাম্পের ‘প্ল্যান এ’ ছিল ভাইস প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজকে ক্ষমতায় রাখা—কারণ, তাঁর ধারণা ছিল, রদ্রিগেজ যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ অনুযায়ী কাজ করবেন। কিন্তু সেই ঘোষণার মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যেই রদ্রিগেজ স্পষ্ট করে বলেন, নিকোলা মাদুরোই ভেনেজুয়েলার বৈধ প্রেসিডেন্ট। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে একটি অবৈধ ও সাম্রাজ্যবাদী দখলদার শক্তি হিসেবে আখ্যা দেন, যারা দেশটি লুণ্ঠন করতে চায়। এই অবস্থায় ভেনেজুয়েলার পর ট্রাম্পের পরবর্তী লক্ষ্য কোথায়—তা নিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে উদ্বেগ ও জল্পনা ক্রমেই বাড়ছে।

গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একীভূত করা এবং পানামা ক্যানেলে মার্কিন নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই ধারাবাহিকতায় এবার তাঁর সরাসরি নিশানায় ভেনেজুয়েলা। দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে উৎখাতের নির্দেশ দেওয়ার পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশ্ন উঠেছে—এরপর কোন দেশগুলো হতে পারে ট্রাম্পের পরবর্তী লক্ষ্য? ‘একেবারে বুদ্ধিমানের কাজ’—এই শব্দগুলো ট্রাম্প উচ্চারণ করেছিলেন ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২২-এ। সে […]

বাংলাদেশের ম্যাচ ভেন্যু বদল নিয়ে আইসিসির ভাবনা

বাংলাদেশের ম্যাচ ভেন্যু বদল নিয়ে আইসিসির ভাবনা

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বাংলাদেশ–ভারত ক্রিকেট সম্পর্কের টানাপোড়েন এবার উঠে এসেছে বৈশ্বিক মঞ্চে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আনুষ্ঠানিক আবেদনের পর বাংলাদেশের বিশ্বকাপ ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। ক্রিকবাজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে এখনো আইসিসির কোনো আনুষ্ঠানিক বৈঠক হয়নি বা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি। তবে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো […]

ফার্মগেটে তেজগাঁও কলেজ শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ

**ফার্মগেটে তেজগাঁও কলেজ শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ** রাজধানীর ফার্মগেট এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন তেজগাঁও কলেজের শিক্ষার্থীরা। এর ফলে ফার্মগেট মোড়সহ আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। রোববার (৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটের দিকে শিক্ষার্থীরা সড়কে অবস্থান নেন। জানা যায়, গত বছরের ৬ ডিসেম্বর রাতে তেজগাঁও কলেজের ছাত্রাবাসে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনায় কলেজের উচ্চমাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সাকিবুল হাসান রানা (১৮) গুরুতর আহত হন। পরে চার দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর ১০ ডিসেম্বর তিনি মারা যান। এই ঘটনার পর থেকেই রানার সহপাঠীরা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছেন। সেই দাবির অংশ হিসেবেই আজ তারা ফার্মগেট এলাকায় সড়ক অবরোধ করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন রয়েছেন।

রাজধানীর ফার্মগেট এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন তেজগাঁও কলেজের শিক্ষার্থীরা। এর ফলে ফার্মগেট মোড়সহ আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। রোববার (৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটের দিকে শিক্ষার্থীরা সড়কে অবস্থান নেন। জানা যায়, গত বছরের ৬ ডিসেম্বর রাতে তেজগাঁও কলেজের ছাত্রাবাসে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনায় […]

ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডেলসি রদ্রিগেজের দায়িত্ব

**ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডেলসি রদ্রিগেজের দায়িত্ব** ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজকে অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের অনুমোদন দিয়েছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্র আটক করে দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়ার পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রোববার (৪ জানুয়ারি) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আদালতের রায়ে বলা হয়, প্রশাসনিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং রাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার স্বার্থে ডেলসি রদ্রিগেজকে অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া প্রয়োজন। প্রেসিডেন্টের অনুপস্থিতিতে রাষ্ট্র পরিচালনা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং আইনগত কাঠামো নির্ধারণে ভবিষ্যতে আরও আলোচনা ও পর্যালোচনা করা হবে বলেও রায়ে উল্লেখ করা হয়। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আপাতত ভেনেজুয়েলায় অন্তর্বর্তী নেতৃত্বের কাঠামো কার্যকর হলো। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ডেলসি রদ্রিগেজ যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব অনুযায়ী সহযোগিতা করলে ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না। নিউইয়র্ক পোস্টের এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প জানান, রদ্রিগেজের সঙ্গে একাধিকবার তাঁর কথা হয়েছে এবং তিনি বর্তমান পরিস্থিতি উপলব্ধি করছেন। ট্রাম্প আরও বলেন, ডেলসি রদ্রিগেজ ইতোমধ্যে ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন এবং মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে কাজ করতে সম্মত হয়েছেন। নিকোলাস মাদুরো আটক হওয়ার পর ভেনেজুয়েলার ক্ষমতা কার হাতে থাকবে—এ নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। এ প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত মানা হলে সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপের প্রয়োজন হবে না।

ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজকে অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের অনুমোদন দিয়েছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্র আটক করে দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়ার পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রোববার (৪ জানুয়ারি) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আদালতের রায়ে বলা হয়, প্রশাসনিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং রাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার স্বার্থে […]

ভেনেজুয়েলায় মার্কিন অভিযানে অন্তত ৪০ নিহত

**ভেনেজুয়েলায় মার্কিন অভিযানে অন্তত ৪০ নিহত** ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের চালানো নজিরবিহীন সামরিক অভিযানে অন্তত ৪০ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে বেসামরিক নাগরিক ও দেশটির সেনাসদস্য উভয়ই রয়েছেন বলে জানিয়েছে *নিউইয়র্ক টাইমস*। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভেনেজুয়েলার এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, মার্কিন হামলায় ব্যাপক প্রাণহানি ঘটেছে। তবে নিহতদের প্রকৃত সংখ্যা এখনও নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, ভেনেজুয়েলার ভূখণ্ডে সেনা নামানোর আগে যুক্তরাষ্ট্র দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অকার্যকর করতে বড় পরিসরের বিমান অভিযান চালায়। মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে জানানো হয়েছে, এ অভিযানে ১৫০টিরও বেশি যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়, যাতে সামরিক হেলিকপ্টারের মাধ্যমে নিরাপদে সেনা নামানো যায়। পরে ওই সেনারা মাদুরোর অবস্থানে অভিযান পরিচালনা করে। হামলা সংক্রান্ত বিস্তারিত জানতে চাইলে হোয়াইট হাউস কিংবা পেন্টাগনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। শনিবার ভোরে মার্কিন বাহিনী প্রেসিডেন্ট মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করে ভেনেজুয়েলার বাইরে নিয়ে যায়। এ অভিযানকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘শক্তিশালী ও চমকপ্রদ প্রদর্শন’ বলে আখ্যায়িত করেন। ট্রাম্প বলেন, নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল রাজনৈতিক রূপান্তর নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার প্রশাসনিক দায়িত্ব তদারকি করবে। এদিকে নিউইয়র্কের সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্টের ফেডারেল কৌঁসুলিরা মাদুরো ও ফ্লোরেসের বিরুদ্ধে কোকেন পাচারসহ একাধিক অভিযোগে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র প্রকাশ করেছেন।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের চালানো নজিরবিহীন সামরিক অভিযানে অন্তত ৪০ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে বেসামরিক নাগরিক ও দেশটির সেনাসদস্য উভয়ই রয়েছেন বলে জানিয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভেনেজুয়েলার এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, মার্কিন হামলায় ব্যাপক প্রাণহানি ঘটেছে। তবে নিহতদের প্রকৃত সংখ্যা এখনও নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, […]