বাংলাদেশের দুই ক্রীড়াবিদ, সাকিব আল হাসান এবং মাশরাফি বিন মুর্তজা, আগে আওয়ামী লীগ সরকারের অংশ ছিলেন। ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের পর ৫ আগস্ট সরকার পতনের ফলে তাদের সংসদ সদস্যের পদও হারাতে হয়। এরপর দুজনের নামে হত্যা মামলাও দায়ের করা হয়েছে।
তবে এ পর্যন্ত কোনো প্রমাণ প্রকাশ পায়নি যে, মাশরাফি বা সাকিব হত্যাকাণ্ডে নির্দেশ দিয়েছেন বা সরাসরি অংশ নিয়েছেন। জুলাই আন্দোলনের সময় সাকিব কানাডায় ছিলেন, মাশরাফি থাকলেও আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অংশ নেননি। বরং নিজের মেয়েকে আন্দোলনে পাঠিয়েছিলেন তিনি। সরকারের পতনের পর এক সাক্ষাৎকারে নিজের ভুলও স্বীকার করেছেন মাশরাফি।
ঢাকা-৬ আসন থেকে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচিত হয়েছেন ইশরাক হোসেন, যিনি আবার বিসিবির কাউন্সিলরও। ক্রীড়াঙ্গনে ইশরাক বেশ পরিচিত মুখ। সাকিব ও মাশরাফি প্রসঙ্গে তিনি গণমাধ্যমে বলেন,
“উনারা ক্রীড়াবিদ, আমাদের দেশের সম্পদ। জনগণ তাদের এক প্রকার জবাব দিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে যে গণহত্যার মামলা, তা আমার কাছে বিশ্বাসযোগ্য মনে হয় না। আমার মনে হয় না তারা নির্দেশ দিয়েছে বা নিজে হাতে বন্দুক নিয়ে হত্যা করেছে।”
ইশরাক আরও বলেন, “উনাদের বিরুদ্ধে যদি অন্য কোনো দুর্নীতি বা মানি লন্ডারিং সংক্রান্ত অভিযোগ থাকে, তাহলে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে আইনি বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা উচিত।”
উল্লেখ্য, সম্প্রতি সাকিব আল হাসানকে জাতীয় দলে ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছে বিসিবি। আসন্ন পাকিস্তান সিরিজ দিয়ে দলে ফেরার বিষয়ে আলোচনা চলছে, যা দেখার বিষয় শেষ পর্যন্ত কী হয়।








