Editorial News 24

মাগুরায় প্রবাসীর স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় ‘বৈষম্যবিরোধী’ দুই নেতা গ্রেপ্তার

🔔 নতুন তথ্য ও খবর পেতে এখনই আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় যুক্ত হোন।

মাগুরায় প্রবাসীর স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় ‘বৈষম্যবিরোধী’ দুই নেতা গ্রেপ্তার মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় এক প্রবাসীর স্ত্রীর (৩০) ওপর দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে দুই ব্যক্তি গ্রেপ্তার হয়েছেন। মামলায় মোট চারজনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ গ্রেপ্তারকৃত দুইজনকে কারাগারে পাঠিয়েছে। মামলার চার আসামি হলেন মহম্মদপুর উপজেলার বালিদিয়া ইউনিয়নের মো. সিজান মাহমুদ (২০), নাফিজ আহম্মেদ (২২), রুবেল শেখ (২৪) ও মো. সুমন শেখ (২৫)। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন প্রথম ও দ্বিতীয় আসামি সিজান মাহমুদ ও নাফিজ আহম্মেদ। তারা গত বছরের ২০ এপ্রিল ঘোষিত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মহম্মদপুর উপজেলা কমিটির সদস্য ও মুখপাত্র ছিলেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাগুরা জেলা আহ্বায়ক সেলিম দাবি করেছেন, “যে কমিটিতে তাঁদের নাম ছিল, সেটি মাত্র দুই দিনের মধ্যে বাতিল ঘোষণা করা হয়েছিল। বর্তমানে ওই কমিটির কোনো বৈধতা নেই।” মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারী একটি কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। ঘটনার দিন রাত ১০টার দিকে কাজ শেষে গাড়িতে বাড়ি ফিরছিলেন। বাস থেকে নামার পর পূর্বপরিচিত আসামি সিজান মাহমুদ তাকে ফোন করে দেখা করার জন্য ডেকে আনে। তখন অন্য তিনজন আসামি তাকে ঘিরে ধরেন। এরপর সিজান মাহমুদকে পাশে দাঁড় করিয়ে নাফিজ আহম্মেদ মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করেন। ওই ভিডিও ইন্টারনেটসহ গ্রামবাসী ও আত্মীয়স্বজনের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে রাত সাড়ে ১১টার দিকে চারজন আসামি তাকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করেন। গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামির বক্তব্য নেওয়া হয়েছে, তবে অন্য দুজন পলাতক থাকায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। মহম্মদপুর থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে এবং পরিহিত কাপড়চোপড় সংগ্রহ করা হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে ভুক্তভোগী ও আসামিদের ডিএনএ পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
Picture of Desk Reporter

Desk Reporter

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় এক প্রবাসীর স্ত্রীর (৩০) ওপর দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে দুই ব্যক্তি গ্রেপ্তার হয়েছেন। মামলায় মোট চারজনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ গ্রেপ্তারকৃত দুইজনকে কারাগারে পাঠিয়েছে।

মামলার চার আসামি হলেন মহম্মদপুর উপজেলার বালিদিয়া ইউনিয়নের মো. সিজান মাহমুদ (২০), নাফিজ আহম্মেদ (২২), রুবেল শেখ (২৪) ও মো. সুমন শেখ (২৫)। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন প্রথম ও দ্বিতীয় আসামি সিজান মাহমুদ ও নাফিজ আহম্মেদ। তারা গত বছরের ২০ এপ্রিল ঘোষিত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মহম্মদপুর উপজেলা কমিটির সদস্য ও মুখপাত্র ছিলেন।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাগুরা জেলা আহ্বায়ক সেলিম দাবি করেছেন, “যে কমিটিতে তাঁদের নাম ছিল, সেটি মাত্র দুই দিনের মধ্যে বাতিল ঘোষণা করা হয়েছিল। বর্তমানে ওই কমিটির কোনো বৈধতা নেই।”

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারী একটি কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। ঘটনার দিন রাত ১০টার দিকে কাজ শেষে গাড়িতে বাড়ি ফিরছিলেন। বাস থেকে নামার পর পূর্বপরিচিত আসামি সিজান মাহমুদ তাকে ফোন করে দেখা করার জন্য ডেকে আনে। তখন অন্য তিনজন আসামি তাকে ঘিরে ধরেন। এরপর সিজান মাহমুদকে পাশে দাঁড় করিয়ে নাফিজ আহম্মেদ মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করেন। ওই ভিডিও ইন্টারনেটসহ গ্রামবাসী ও আত্মীয়স্বজনের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে রাত সাড়ে ১১টার দিকে চারজন আসামি তাকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করেন।

গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামির বক্তব্য নেওয়া হয়েছে, তবে অন্য দুজন পলাতক থাকায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। মহম্মদপুর থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে এবং পরিহিত কাপড়চোপড় সংগ্রহ করা হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে ভুক্তভোগী ও আসামিদের ডিএনএ পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

জোরালোভাবে সুপারিশকৃত -

সাম্প্রতিক পোস্ট -

বিজ্ঞাপন

বিশেষ সংবাদ নিয়ে আরও পড়ুন-

বিজ্ঞাপন

রাজনীতি নিয়ে গভীরতর ধারণার জন্য আরও পড়ুন-

🌟 আমাদের সাথে যুক্ত থাকতে এখনই সাবস্ক্রাইব করুন