Editorial News 24

ভারতের শেয়ারবাজারে বড় ধস, ১০ লাখ কোটি রুপি ক্ষতি

🔔 নতুন তথ্য ও খবর পেতে এখনই আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় যুক্ত হোন।

ভারতের শেয়ারবাজারে বড় ধস, ১০ লাখ কোটি রুপি ক্ষতি নতুন বাজেট ঘোষণার পর ভারতের শেয়ারবাজারে বড় পতন ঘটেছে। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ফিউচার্স ও অপশন (এফ অ্যান্ড ও) ট্রেডে সিকিউরিটিজ ট্রানজ্যাকশন ট্যাক্স (এসটিটি) বাড়ানোর ঘোষণার পর বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এতে বাজার থেকে প্রায় ১০ লাখ কোটি রুপি কমেছে। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দ্য ইকোনমিকস টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিনের শেষে বিএসই সেনসেক্স ১,৫৪৬.৮৪ পয়েন্ট বা ১.৮৮ শতাংশ কমে ৮০,৭২২.৯৪ পয়েন্টে নেমেছে। অন্যদিকে এনএসই নিফটি ৫০ সূচক ৪৯৫.২০ পয়েন্ট বা ১.৯৬ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ২৪,৮২৫.৪৫ পয়েন্টে লেনদেন শেষ করেছে। এটি গত কয়েক বছরের মধ্যে বাজেট দিনের সবচেয়ে বড় পতন হিসেবে ধরা হচ্ছে। বাজার মূলধনের ক্ষতি প্রায় ১০ লাখ কোটি রুপির কাছাকাছি নেমে গেছে। বিএসইতে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর সম্মিলিত মূলধন ৯ লাখ ৭২ হাজার কোটি রুপি কমে ৪৫০.১৫ লাখ কোটি রুপিতে নেমেছে। অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, ফিউচার্সে এসটিটি শূন্য ০.০২ শতাংশ থেকে ০.০৫ শতাংশ এবং অপশন প্রিমিয়াম ও এক্সারসাইজে এসটিটি ০.১০ ও ০.১২৫ শতাংশ থেকে ০.১৫ শতাংশে বৃদ্ধি করা হবে। পদক্ষেপের লক্ষ্য এফ অ্যান্ড ও সেগমেন্টে অতিরিক্ত স্পেকুলেশন কমানো ও ছোট বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা। তবে এর ফলে ব্রোকারেজ, এক্সচেঞ্জ ও ট্রেডিং-সংশ্লিষ্ট স্টকগুলোতে তীব্র বিক্রি হয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সেনসেক্সের ৩০টি স্টকের মধ্যে এসবিআই, আদানি পোর্টস, বিএইএল, আইটিসি, টাটা স্টিল, হিন্ডালকো, ওএনজিসি সহ অনেক স্টক ৪ থেকে ৬ শতাংশ কমেছে। ব্রোকারেজ ফার্ম যেমন অ্যাঞ্জেল ওয়ান, বিএসই, গ্রো-এর শেয়ার ৮ থেকে ১৩ শতাংশ পর্যন্ত পতন হয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই বাজেটকে ঐতিহাসিক আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেছেন, বাজেট ভারতের সংস্কারের পথে নতুন গতি যোগ করেছে, যুবসমাজের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছে এবং রাজস্ব ঘাটতি, মুদ্রাস্ফীতি, উৎপাদন, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের ওপর জোর দিয়েছে। এটি বিকশিত ভারতের জন্য শক্তিশালী ভিত্তি রচনা করবে।
Picture of Desk Reporter

Desk Reporter

নতুন বাজেট ঘোষণার পর ভারতের শেয়ারবাজারে বড় পতন ঘটেছে। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ফিউচার্স ও অপশন (এফ অ্যান্ড ও) ট্রেডে সিকিউরিটিজ ট্রানজ্যাকশন ট্যাক্স (এসটিটি) বাড়ানোর ঘোষণার পর বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এতে বাজার থেকে প্রায় ১০ লাখ কোটি রুপি কমেছে।

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দ্য ইকোনমিকস টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিনের শেষে বিএসই সেনসেক্স ১,৫৪৬.৮৪ পয়েন্ট বা ১.৮৮ শতাংশ কমে ৮০,৭২২.৯৪ পয়েন্টে নেমেছে। অন্যদিকে এনএসই নিফটি ৫০ সূচক ৪৯৫.২০ পয়েন্ট বা ১.৯৬ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ২৪,৮২৫.৪৫ পয়েন্টে লেনদেন শেষ করেছে। এটি গত কয়েক বছরের মধ্যে বাজেট দিনের সবচেয়ে বড় পতন হিসেবে ধরা হচ্ছে।

বাজার মূলধনের ক্ষতি প্রায় ১০ লাখ কোটি রুপির কাছাকাছি নেমে গেছে। বিএসইতে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর সম্মিলিত মূলধন ৯ লাখ ৭২ হাজার কোটি রুপি কমে ৪৫০.১৫ লাখ কোটি রুপিতে নেমেছে।

অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, ফিউচার্সে এসটিটি শূন্য ০.০২ শতাংশ থেকে ০.০৫ শতাংশ এবং অপশন প্রিমিয়াম ও এক্সারসাইজে এসটিটি ০.১০ ও ০.১২৫ শতাংশ থেকে ০.১৫ শতাংশে বৃদ্ধি করা হবে। পদক্ষেপের লক্ষ্য এফ অ্যান্ড ও সেগমেন্টে অতিরিক্ত স্পেকুলেশন কমানো ও ছোট বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা। তবে এর ফলে ব্রোকারেজ, এক্সচেঞ্জ ও ট্রেডিং-সংশ্লিষ্ট স্টকগুলোতে তীব্র বিক্রি হয়।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সেনসেক্সের ৩০টি স্টকের মধ্যে এসবিআই, আদানি পোর্টস, বিএইএল, আইটিসি, টাটা স্টিল, হিন্ডালকো, ওএনজিসি সহ অনেক স্টক ৪ থেকে ৬ শতাংশ কমেছে। ব্রোকারেজ ফার্ম যেমন অ্যাঞ্জেল ওয়ান, বিএসই, গ্রো-এর শেয়ার ৮ থেকে ১৩ শতাংশ পর্যন্ত পতন হয়েছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই বাজেটকে ঐতিহাসিক আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেছেন, বাজেট ভারতের সংস্কারের পথে নতুন গতি যোগ করেছে, যুবসমাজের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছে এবং রাজস্ব ঘাটতি, মুদ্রাস্ফীতি, উৎপাদন, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের ওপর জোর দিয়েছে। এটি বিকশিত ভারতের জন্য শক্তিশালী ভিত্তি রচনা করবে।

জোরালোভাবে সুপারিশকৃত -

সাম্প্রতিক পোস্ট -

বিজ্ঞাপন

বিশেষ সংবাদ নিয়ে আরও পড়ুন-

বিজ্ঞাপন

রাজনীতি নিয়ে গভীরতর ধারণার জন্য আরও পড়ুন-

🌟 আমাদের সাথে যুক্ত থাকতে এখনই সাবস্ক্রাইব করুন