Editorial News 24

‘বানিয়াচং থানা আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম’ বলায় বৈষম্যবিরোধী নেতা আটক

🔔 নতুন তথ্য ও খবর পেতে এখনই আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় যুক্ত হোন।

‘বানিয়াচং থানা আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম’ বলায় বৈষম্যবিরোধী নেতা আটক হবিগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সেই নেতা মাহদী হাসানকে পুলিশ আটক করেছে, যিনি সম্প্রতি “বানিয়াচং থানা আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম, এসআই সন্তোষকে আমরা জ্বালাই দিয়েছিলাম” বলে বিতর্ক সৃষ্টি করেছিলেন। শনিবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে শহরের শায়েস্তানগরে গণ অধিকার পরিষদের জেলা সভাপতি চৌধুরী আশরাফুল বারীর বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। বর্তমানে তিনি সদর থানার হেফাজতে আছেন। মাহদী হাসান হবিগঞ্জ বৃন্দাবন সরকারি কলেজের স্নাতক প্রথম বর্ষের ছাত্র এবং হবিগঞ্জ জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক। তাঁর বাড়ি হবিগঞ্জ সদর উপজেলার ভাদৈ এলাকায়। এছাড়া, মাহদী হাসানের আটক খবরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মীরা সদর থানার সামনে অবস্থান নেন। পুলিশ থানার প্রধান ফটক বন্ধ করে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছে। আন্দোলনের নেতা তুষার আহমেদ দাবি করেছেন, মাহদীকে বিনা মামলায় আটক করা হয়েছে এবং তাকে ছাড়া না হওয়া পর্যন্ত তারা থানার সামনে অবস্থান করবেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার শায়েস্তাগঞ্জ সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহসভাপতি এনামুল হাসানকে আটক করা হয়েছিল। মাহদীর নেতৃত্বে আন্দোলনকারীরা গত শুক্রবার থানার ভেতরে অবস্থান নেন এবং ওই সময়ের একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে মাহদী হাসান বলেন, “জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমরা সরকার গঠন করেছি, এই জায়গায় আপনারা আমাদের প্রশাসনের লোক। আবার আমাদের সঙ্গে বার্গেনিং করছেন। বানিয়াচং থানা আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম, এসআই সন্তোষকে আমরা জ্বালাই দিয়েছি।” এরপর মাহদী হাসান প্রথম আলোর প্রতিবেদকের কাছে একটি ভিডিও বার্তায় জানান, “উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে অসাবধানতাবশত একটি ভুল কথা দেশবাসীর কাছে পৌঁছেছে।”
Picture of Desk Reporter

Desk Reporter

হবিগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সেই নেতা মাহদী হাসানকে পুলিশ আটক করেছে, যিনি সম্প্রতি “বানিয়াচং থানা আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম, এসআই সন্তোষকে আমরা জ্বালাই দিয়েছিলাম” বলে বিতর্ক সৃষ্টি করেছিলেন। শনিবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে শহরের শায়েস্তানগরে গণ অধিকার পরিষদের জেলা সভাপতি চৌধুরী আশরাফুল বারীর বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। বর্তমানে তিনি সদর থানার হেফাজতে আছেন।

মাহদী হাসান হবিগঞ্জ বৃন্দাবন সরকারি কলেজের স্নাতক প্রথম বর্ষের ছাত্র এবং হবিগঞ্জ জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক। তাঁর বাড়ি হবিগঞ্জ সদর উপজেলার ভাদৈ এলাকায়।

এছাড়া, মাহদী হাসানের আটক খবরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মীরা সদর থানার সামনে অবস্থান নেন। পুলিশ থানার প্রধান ফটক বন্ধ করে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছে। আন্দোলনের নেতা তুষার আহমেদ দাবি করেছেন, মাহদীকে বিনা মামলায় আটক করা হয়েছে এবং তাকে ছাড়া না হওয়া পর্যন্ত তারা থানার সামনে অবস্থান করবেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার শায়েস্তাগঞ্জ সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহসভাপতি এনামুল হাসানকে আটক করা হয়েছিল। মাহদীর নেতৃত্বে আন্দোলনকারীরা গত শুক্রবার থানার ভেতরে অবস্থান নেন এবং ওই সময়ের একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে মাহদী হাসান বলেন, “জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমরা সরকার গঠন করেছি, এই জায়গায় আপনারা আমাদের প্রশাসনের লোক। আবার আমাদের সঙ্গে বার্গেনিং করছেন। বানিয়াচং থানা আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম, এসআই সন্তোষকে আমরা জ্বালাই দিয়েছি।”

এরপর মাহদী হাসান প্রথম আলোর প্রতিবেদকের কাছে একটি ভিডিও বার্তায় জানান, “উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে অসাবধানতাবশত একটি ভুল কথা দেশবাসীর কাছে পৌঁছেছে।”

জোরালোভাবে সুপারিশকৃত -

সাম্প্রতিক পোস্ট -

বিজ্ঞাপন

বিশেষ সংবাদ নিয়ে আরও পড়ুন-

বিজ্ঞাপন

রাজনীতি নিয়ে গভীরতর ধারণার জন্য আরও পড়ুন-

🌟 আমাদের সাথে যুক্ত থাকতে এখনই সাবস্ক্রাইব করুন