জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা জুবায়েদ হোসেনকে হত্যা করা হয় বর্ষার পরিকল্পনা ও প্ররোচনায়। বর্ষা, তার প্রেমিক মাহির রহমান এবং সহযোগীদের মাধ্যমে এই হত্যার পরিকল্পনা শুরু হয় ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে। হত্যার দিন মাহিরের সঙ্গে তার দুই বন্ধু উপস্থিত ছিলেন। হত্যার জন্য তারা নতুন দুটি সুইচগিয়ার ছুরি কিনে নেন। বর্ষার নির্দেশে মাহির জুবায়েদের ওপর এলোপাতাড়ি ছুরি চালান, এভাবেই তাকে হত্যা করা হয়।
বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি রফিকুল ইসলাম মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সংবাদমাধ্যমকে জানান, বর্ষা ও মাহিরের ৯ বছরের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু পরে বর্ষা জুবায়েদের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে মাহিরকে ত্যাগ করেন। কিছুদিন পর আবারও মাহিরের সঙ্গে সম্পর্ক ফিরে আসে। এরপর বর্ষা ও মাহির জুবায়েদের হত্যা পরিকল্পনা করেন। প্রাথমিকভাবে বর্ষা এই পরিকল্পনা স্বীকার না করলেও, মাহির ও বর্ষাকে মুখোমুখি করলে সত্যতা প্রকাশ পায়।
এ পর্যন্ত বর্ষাসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে এবং মামলার শেষ প্রস্তুতি চলছে। নিহত জুবায়েদ ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী এবং কুমিল্লা জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদের সভাপতি।
রোববার বিকেলে বর্ষার বাসায় টিউশনে যাওয়ার পথে জুবায়েদের সঙ্গে দেখা হয় মাহিরের। দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয় এবং কিছুক্ষণ পরই জুবায়েদ ছুরিকাঘাতে নিহত হন। ময়নাতদন্ত শেষে সোমবার দুপুরে জুবায়েদের প্রথম জানাজা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়, পরে মরদেহ গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়েছে।








