Editorial News 24

প্লট দুর্নীতি মামলায় সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদের ২১ বছরের কারাদণ্ড

🔔 নতুন তথ্য ও খবর পেতে এখনই আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় যুক্ত হোন।

প্লট দুর্নীতি মামলায় সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদের ২১ বছরের কারাদণ্ড পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে রাজউকের প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা তিনটি মামলায় সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদকে মোট ২১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এ রায় ঘোষণা করেন। একই ধারায় দুদকের করা তিন মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেও সাত বছর করে মোট ২১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পৃথক মামলায় তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা এবং মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। শরীফ আহমেদ ছাড়াও এসব মামলায় আরও ১৯ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই সাবেক মন্ত্রণালয় ও রাজউকের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। গ্রেপ্তার হয়েছেন মো. খুরশীদ আলম; বাকিরা পলাতক। গত ২৩ নভেম্বর যুক্তিতর্ক শেষে রায়ের দিন নির্ধারণ করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষ আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা—যাবজ্জীবন—চেয়েছিল। তবে পলাতক থাকায় শেখ হাসিনাসহ পরিবারের কোনো পক্ষ থেকে আদালতে আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না। তিন মামলার মধ্যে একটিতে শেখ হাসিনাসহ আসামি ১২ জন, আরেকটিতে জয় ও শেখ হাসিনাসহ ১৭ জন এবং অপর মামলায় পুতুল ও শেখ হাসিনাসহ ১৮ জনকে আসামি করা হয়েছিল।
Picture of Desk Reporter

Desk Reporter

পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে রাজউকের প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা তিনটি মামলায় সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদকে মোট ২১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এ রায় ঘোষণা করেন।

একই ধারায় দুদকের করা তিন মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেও সাত বছর করে মোট ২১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পৃথক মামলায় তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা এবং মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

শরীফ আহমেদ ছাড়াও এসব মামলায় আরও ১৯ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই সাবেক মন্ত্রণালয় ও রাজউকের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। গ্রেপ্তার হয়েছেন মো. খুরশীদ আলম; বাকিরা পলাতক।

গত ২৩ নভেম্বর যুক্তিতর্ক শেষে রায়ের দিন নির্ধারণ করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষ আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা—যাবজ্জীবন—চেয়েছিল। তবে পলাতক থাকায় শেখ হাসিনাসহ পরিবারের কোনো পক্ষ থেকে আদালতে আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।

তিন মামলার মধ্যে একটিতে শেখ হাসিনাসহ আসামি ১২ জন, আরেকটিতে জয় ও শেখ হাসিনাসহ ১৭ জন এবং অপর মামলায় পুতুল ও শেখ হাসিনাসহ ১৮ জনকে আসামি করা হয়েছিল।

জোরালোভাবে সুপারিশকৃত -

সাম্প্রতিক পোস্ট -

বিজ্ঞাপন

বিশেষ সংবাদ নিয়ে আরও পড়ুন-

বিজ্ঞাপন

রাজনীতি নিয়ে গভীরতর ধারণার জন্য আরও পড়ুন-

🌟 আমাদের সাথে যুক্ত থাকতে এখনই সাবস্ক্রাইব করুন