পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান কারাবন্দি থাকার পরেও জনপ্রিয়তা এখনও অটুট। শনিবার খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের রাজধানী পেশোয়ারে তার মুক্তির দাবিতে সমর্থকদের বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে পাঞ্জাব, সিন্ধু, বেলুচিস্তান, গিলগিত-বালতিস্তান এবং আজাদ কাশ্মীর থেকে মানুষ যোগ দেন। পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) পরিচালিত এই সমাবেশে ইমরান খানের বোন আলিমা খানও উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় সময় শনিবার খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী আলি আমিন গান্দাপুর সমাবেশে বক্তব্য দিয়ে স্পষ্ট জানিয়েছেন, তার সরকার প্রদেশে কোনো সামরিক অভিযান সমর্থন করবে না। আয়োজকদের দাবি, বিভিন্ন প্রদেশ থেকে সমর্থকের ঢল সমাবেশকে সফল করেছে।
ইমরান খান অভিযোগ করেছেন, তার বিরুদ্ধে সমস্ত মামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। সেনাবাহিনীর সহায়তায় পিটিআই ভাঙার চেষ্টা চলছে। ২০২৩ সালের সহিংস বিক্ষোভের দায়ে শত শত নেতা-কর্মী ও পার্লামেন্ট সদস্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।
২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়া সাবেক ক্রিকেটার ইমরান খানের সরকার সেনাবাহিনীর সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হওয়ায় ২০২২ সালে পার্লামেন্টে অনাস্থা ভোটে অপসারিত হন। ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে পিটিআই সবচেয়ে বড় দল হিসেবে উঠে আসে, তবে ভোট কারচুপির অভিযোগে আরও আসন থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ করেছে দলটি। শেষ পর্যন্ত অন্যান্য দল মিলিত হয়ে শাহবাজ শরিফকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করেছে।








