ইলিশের প্রজনন মৌসুমে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকারের দায়ে পটুয়াখালীর দুমকী ও বাউফল উপজেলায় ১২ জন জেলেকে আটক করেছে প্রশাসন। এর মধ্যে দুমকীতে দুই জেলেকে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং বাউফলে পাঁচ জেলেকে জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) এসব অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
দুমকী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবুজর মো. এজাজুল হক জানান, দণ্ডপ্রাপ্ত দুই জেলে হলেন বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কলসকাঠী গ্রামের আ. সোবাহান হাং (৫৫) ও আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের ঝাটরা গ্রামের সোহরাপ মৃধা (৫২)। অভিযানে ৬০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করে জনসম্মুখে পুড়িয়ে ফেলা হয়।
দুমকী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান জানান, সকাল ১০টার দিকে আঙ্গারিয়া ও পাতাবুনিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে জেলেদের আটক করা হয়। এ সময় নৌকা ও জাল জব্দ করা হয়।
বাউফল উপজেলার তেঁতুলিয়া নদীতে সন্ধ্যায় আরও ১০ জেলেকে আটক করে মৎস্য বিভাগ। এর মধ্যে পাঁচজনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক পাঁচজনকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
বাউফল সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. এম এম পারভেজ বলেন, “ইলিশের প্রজনন রক্ষায় ৪ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশ আহরণ, ক্রয়-বিক্রয়, পরিবহন ও সংরক্ষণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। এই সময়ে নিয়ম ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
সরকারি তথ্যমতে, পটুয়াখালী জেলায় নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ৮০ হাজার ২০ জন, তবে বাস্তবে জেলে আছেন এক লাখের বেশি। এই ২২ দিনে নিবন্ধিত ৬৭ হাজারের বেশি জেলে ২৫ কেজি করে সরকারি ভিজিএফ সহায়তা পাবেন।








