জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনের মুহূর্তগুলোতে ফিলিস্তিন ইস্যুতে তুরস্ক সক্রিয় ভূমিকা রেখেছে—এমনদিকেই ইঙ্গিত করেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কের টার্কিশ হাউস (তুর্কেভি) এ আয়োজনকালে সাংবাদিকদের তিনি জানান, আঙ্কারা সব ধরনের বৈঠক ও প্ল্যাটফর্মে ফিলিস্তিনিদের স্বার্থ রক্ষায় নেতৃত্ব, সমন্বয় ও সহায়তা করেছে।
ফিদান বলেন, এবারের সাধারণ পরিষদের প্রধান অ্যাজেন্ডা ছিল ফিলিস্তিনি সমস্যা ও গাজার সংকট। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান গাজার বৈঠকের ‘বুদ্ধিজীবী উদ্যোক্তা’ হিসেবে কাজ করেছেন—এ কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন তিনি। এছাড়া যেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আরব লীগের ও ওআইসির নেতৃত্বার অংশগ্রহণ দর্শনীয় ছিল, সেখানে তুরস্ক মুসলিম দেশগুলোর প্রতিনিধিত্ব করে স্পষ্ট ও জোরালো অবস্থান নিয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, তারা ওই বৈঠকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে গাজার অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি, বেসামরিকদের সুরক্ষা ও মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার অনতিবিলম্বে আহ্বান জানিয়েছে। তুরস্কের ওঠানো ওই দাবি ও প্রস্তাবগুলোতে ইতোমধ্যে কিছু ইতিবাচক সূচক দেখা দিচ্ছে—এমন আশাবাদও ব্যক্ত করেন তিনি।
ফিদান উল্লেখ করেন, কিছু পশ্চিমা দেশের সাম্প্রতিক ফিলিস্তিন রাষ্ট্র স্বীকৃতি ঘোষণাকে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে মূল্যায়ন করেন। তিনি বলেন, এটি আরব লীগ ও ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার যৌথ প্রচেষ্টা ও তুরস্কের কূটনৈতিক সমন্বয়ের ফল। তুরস্ক প্রত্যেক প্ল্যাটফর্মেই ফিলিস্তিনিদের ন্যায্য দাবি রক্ষায় এগিয়ে যাবে—এমন প্রতিশ্রুতি তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।
এদিকে তার মূল অগ্রাধিকার তালিকায় আছেন—গাজায় তৎক্ষণাৎ যুদ্ধবিরতি, বেসামরিক গণহত্যা বন্ধ এবং দ্রুত ও নিরাপদভাবে মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেয়া। ফিদান জানান, একই সময়ে তারা যুদ্ধবিরতি চুক্তি অর্জন ও পাশাপাশি অন্যান্য নীতিগত ও মানবিক বিষয়গুলো সমাধানের ওপর কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।








