মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদ বীরদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তারেক রহমান ও তাঁর মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে তারা এ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এরপর প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের জিয়াউর রহমান এবং খালেদা জিয়া–এর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও মাজার জিয়ারতের কথা রয়েছে।
তিন স্তরের নিরাপত্তা
মন্ত্রিপরিষদের আগমন উপলক্ষে স্মৃতিসৌধ এলাকায় নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পুলিশ, র্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। মহাসড়কজুড়ে বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি। ডগ স্কোয়াড ও বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট নিয়মিত তল্লাশি ও মহড়া চালাচ্ছে। পুরো এলাকা সিসিটিভি নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে।
প্রথম কর্মদিবস সচিবালয়ে
মঙ্গলবার শপথ গ্রহণের মাধ্যমে দেশের একাদশ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন তারেক রহমান। বুধবার সচিবালয়ে প্রথম কর্মদিবসে অফিস করবেন তিনি। সেখানে মধ্যাহ্নভোজের পর বিকেলে মন্ত্রিসভার বৈঠকে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। বিকেল ৪টায় সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী। এ উপলক্ষে সচিবালয়েও জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নির্বাচনের গেজেট প্রকাশের পর থেকেই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে ব্যস্ততা বেড়েছে। নতুন ভবনের ছয়টি লিফটই সারাদিন সচল ছিল। কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ফাইল হাতে এক ফ্লোর থেকে আরেক ফ্লোরে ছুটে বেড়িয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ নেন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাদের শপথ পাঠ করান। এবার প্রচলিত রীতি ভেঙে বঙ্গভবনের পরিবর্তে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।








