জনতা ব্যাংক থেকে নেওয়া ১০০ কোটি টাকার ঋণ শর্ত ভঙ্গ করে অন্যত্র সরিয়ে ফেলায় সিকদার গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত জয়নুল হক সিকদারের বড় ছেলে রন হক সিকদারকে ২২১ কোটি ৬৬ লাখ টাকা আগামী ৬০ দিনের মধ্যে পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকার অর্থঋণ আদালত-৫-এর বিচারক মুজাহিদুর রহমান। রোববার (৫ অক্টোবর) এই আদেশ দেওয়া হয়।
জনতা ব্যাংকের অভিযোগ, ভবন নির্মাণ না করে ঋণের অর্থ অন্যত্র সরিয়ে ফেলেছেন রন হক এবং এখন পর্যন্ত এক টাকাও পরিশোধ করা হয়নি। ব্যাংকের পাওনা এখন ২২২ কোটি টাকার বেশি।
২০১৫ সালে জেড এইচ সিকদার শপিং কমপ্লেক্সের জন্য আর অ্যান্ড আর হোল্ডিংসের অনুকূলে ১০০ কোটি টাকার ঋণ অনুমোদন দেওয়া হয়। এর বাইরে রন হক সিকদারের মালিকানাধীন পাওয়ারপ্যাক মুতিয়ারা জামালপুর পাওয়ার প্ল্যান্ট লিমিটেডের কাছে ব্যাংকের পাওনা প্রায় ৯৪৩ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে জনতা ব্যাংকে তার মোট ঋণ প্রায় ১ হাজার ১৬৬ কোটি টাকা। আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, মামলা দায়েরের তারিখ থেকে পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত ১২ শতাংশ সুদসহ পুরো টাকা ফেরত দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থ পরিশোধ না হলে ব্যাংক সম্পত্তি বিক্রি করে ঋণ আদায় করতে পারবে।
জনতা ব্যাংক সূত্রের বরাতে জানা যায়, ঋণের অর্থ সঠিকভাবে ব্যবহার না করা, কাজের অগ্রগতি যাচাই না করা এবং শর্ত ভঙ্গ করে পরিশোধ না করার কারণে ব্যাংক মামলা করেছে। রন হক সিকদার গত মার্চ থেকে এ মামলায় আদালতে হাজিরা দেননি এবং তার পক্ষে কোনো আইনজীবীও ছিলেন না। ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাকে পাওয়া যায়নি।








