Editorial News 24

খুলনায় আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান; পরে ভাঙচুর

🔔 নতুন তথ্য ও খবর পেতে এখনই আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় যুক্ত হোন।

Picture of Desk Reporter

Desk Reporter

গণ–অভ্যুত্থানের পর দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত থাকার পর খুলনা মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে প্রথমবারের মতো দলীয় নেতা–কর্মীদের উপস্থিতি দেখা গেছে। রোববার বিকেলে নগরের লোয়ার যশোর রোডের শঙ্খ মার্কেট এলাকায় অবস্থিত কার্যালয়ে প্রবেশ করেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর একদল নেতা–কর্মী।

এ সময় তাঁরা জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং শেখ মুজিবুর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-র ছবিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। পাশাপাশি ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

কার্যালয়ে যাওয়া এক নেতা, যিনি খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক নেতা বলে পরিচয় দেন, নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুরূপ কর্মসূচির খবর পেয়ে তাঁরা খুলনাতেও যান। বিকেল চারটার দিকে তালাবদ্ধ কার্যালয়ের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে জাতীয় পতাকা টানান এবং পরে নতুন করে তালা লাগিয়ে বেরিয়ে আসেন। তাঁর দাবি, এটি ছিল তৃণমূল কর্মীদের উদ্যোগ; সেখানে ২৫–৩০ জন উপস্থিত ছিলেন এবং উল্লেখযোগ্য কোনো শীর্ষ নেতা ছিলেন না।

তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি টি এম আরিফ এবং সদর থানা আওয়ামী লীগ নেতা মো. রুবেলের উপস্থিতি দেখা গেছে বলে দলীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে। ভিডিওতে অংশগ্রহণকারীদের উৎফুল্ল দেখা যায়।

খুলনা সদর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, আগে একটি অবৈধ সরকার ও ‘মবের রাজত্ব’ চলছিল বলে তাঁদের রাজনৈতিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছিল। বর্তমানে রাজনৈতিক পরিবেশ পরিবর্তিত হওয়ায় তাঁরা কার্যালয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন বলে মনে করেন। তাঁর আশা, শিগগিরই দলীয় কার্যক্রম পূর্ণাঙ্গভাবে শুরু করা যাবে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর খুলনা মহানগর ও জেলার বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। ৪ আগস্ট মহানগর ও জেলা কার্যালয়েও বিক্ষোভকারীরা হামলা চালায়। এরপর দীর্ঘ সময় কার্যালয়গুলোতে দলীয় কার্যক্রম বন্ধ ছিল।

এদিকে রোববারের এ ঘটনার পর সন্ধ্যায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতাদের নেতৃত্বে কার্যালয়ে আবারও ভাঙচুর চালানো হয়। কাঠের দরজা ও কাগজপত্রে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

জোরালোভাবে সুপারিশকৃত -

সাম্প্রতিক পোস্ট -

বিজ্ঞাপন

বিশেষ সংবাদ নিয়ে আরও পড়ুন-

বিজ্ঞাপন

রাজনীতি নিয়ে গভীরতর ধারণার জন্য আরও পড়ুন-

🌟 আমাদের সাথে যুক্ত থাকতে এখনই সাবস্ক্রাইব করুন