ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিনেই রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনের বক্তব্যের কারণে সংসদ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। রাষ্ট্রপতির ভাষণ চলাকালেই জামায়াত ও এনসিপির নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট সংসদ থেকে ওয়াক আউট করে।
ওয়াক আউটের পর জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন একজন অপরাধী। তিনি সব খুনির সহযোগী ছিলেন এবং কোনো খুনের ঘটনায় ব্যবস্থা নেননি। একজন অভিভাবক হিসেবে রাষ্ট্রের নাগরিকদের প্রতি দায়িত্বও পালন করেননি। তিনি বলেন, “তার বক্তব্য আমরা এই মহান সংসদে শুনতে পারি না।”
শফিকুর রহমান আরও জানান, রাষ্ট্রপতি তিন কারণে অপরাধী। প্রথমত, তিনি খুনের সহযোগী; তার আমলে ঘটিত খুনগুলোর কোনো বিষয়ে ব্যবস্থা নেননি। দ্বিতীয়ত, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জাতির উদ্দেশে ভাষণে তিনি ফ্যাসিস্ট প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগের বিষয় মঞ্জুর করেছিলেন, পরে তা অস্বীকার করেন; ফলে তিনি জাতির সামনে মিথ্যাবাদী প্রমাণিত হয়েছেন।
তৃতীয়ত, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সময় দুটি ভোট ও সংশ্লিষ্ট শপথ সংক্রান্ত অর্ডিন্যান্স স্বাক্ষর করেছিলেন, কিন্তু সংস্কার সংশোধন পরিষদের অধিবেশন ডাকেননি। গণভোটে দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দেয়ার পরও তিনি সেই মানুষদের অপমান করেছেন।
শফিকুর রহমান স্পিকারের ভূমিকারও সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, বিরোধী জোটের সংসদ সদস্যদের বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়া হয়নি। সংসদ কারো একার নয়; আমরা জনগণের পক্ষে কথা বলব।
ওয়াক আউটের পর বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, হাজারো মানুষের রক্তের বিনিময়ে ফ্যাসিবাদকে বিতাড়িত করেছি। ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রপতি বক্তব্য দিতে আসায় আমরা বক্তব্য রাখতে চাইলে স্পিকার সুযোগ দেননি, তাই আমরা ওয়াক আউট করেছি।








