বাগেরহাটের মোড়লগঞ্জে এক সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী শ্রাবণী মৃধাকে বর্বরভাবে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী ৮ মাসের গর্ভধারণ অবস্থায় গুরুতর আহত হয়ে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। শ্রাবণী মোড়লগঞ্জের মহিষপুরা গ্রামের উজ্জল হালদারের স্ত্রী, যিনি বাগেরহাট মোংলা উপজেলার কৃষি অফিসে অফিস সহকারী ও কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক হিসেবে কর্মরত।
ভুক্তভোগী জানান, গত ২৩ অক্টোবর রাত সাড়ে আটটা নাগাদ উজ্জল ও তার মা শুক্লা হালদার তাকে একটি কক্ষে আটকে রাখে এবং নির্মমভাবে নির্যাতন চালায়। চিৎকারে প্রতিবেশী সুশান্ত হালদার এসে তাকে উদ্ধার করেন। পরে শ্রাবণীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
শ্রাবণীর বাবা শেখর চন্দ্র মৃধা জানান, মেয়েকে বিয়ের পর থেকেই সন্তান গ্রহণের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল। গর্ভধারণের পর ডাক্তার আল্ট্রাসনো করলেও সন্তান ছেলে না মেয়ে সে তথ্য গোপন রাখলেও, উজ্জল ও তার মা শিশুটিকে কন্যা সন্তান ভেবে নষ্ট করার চেষ্টা করেছিলেন। প্রতিবাদ করায় স্ত্রীকে নির্মমভাবে নির্যাতন করা হয়।
পিরোজপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. নিজাম উদ্দিন জানান, ভুক্তভোগীর যৌনাঙ্গে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে এবং সেখানে একাধিক সেলাই করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনও থানায় কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি।
উজ্জল হালদারের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।








