Editorial News 24

ইসরায়েলি গোয়েন্দা স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি ইরানের

🔔 নতুন তথ্য ও খবর পেতে এখনই আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় যুক্ত হোন।

Picture of Desk Reporter

Desk Reporter

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা ইসরায়েলের বিভিন্ন গোয়েন্দা স্থাপনা এবং সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এই তথ্য প্রকাশ করেছে তাসনিম নিউজ এজেন্সি।

আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানায়, “অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪”-এর অংশ হিসেবে ২৪ মার্চ ৭৯তম দফার প্রতিশোধমূলক হামলা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। হামলায় খাইবার-শেকান, এমাদ ও সেজ্জিল ক্ষেপণাস্ত্র এবং আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে, যা ইসরায়েলের বহুস্তরীয় আকাশ প্রতিরক্ষা ভেদ করে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে।

লক্ষ্যবস্তুগুলোর মধ্যে ছিল তেল আবিবের উত্তর ও কেন্দ্রীয় অঞ্চলের গোয়েন্দা স্থাপনা, রামাত গান ও নেগেভে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর বাণিজ্যিক ও সহায়তা কেন্দ্র এবং বীরশেবায় সামরিক লজিস্টিক ও দক্ষিণাঞ্চলীয় কমান্ড সেন্টার। হামলার ফলে অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে আগুন ও ধোঁয়ার বিস্তৃত দৃশ্য দেখা গেছে এবং ২০ লাখের বেশি মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে থাকতে হয়েছে, যা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতার প্রমাণ বলে আইআরজিসি দাবি করেছে।

আইআরজিসি আরও জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের পেন্টাগন এবং ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা ‘আমান’ হামলার খবর ও ছবি গোপন করছে, যা শত্রুপক্ষের উদ্বেগের প্রমাণ।

আইআরজিসির দাবি অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসলামি বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা ও বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে তেহরান। ইরানের সশস্ত্র বাহিনী তাদের বিভিন্ন সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালানো হলে বহু হতাহতের ঘটনা ঘটে এবং অবকাঠামোর বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়।

এর জবাবে ইরান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আঞ্চলিক ঘাঁটি এবং অধিকৃত ভূখণ্ডে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মাধ্যমে পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে।

জোরালোভাবে সুপারিশকৃত -

সাম্প্রতিক পোস্ট -

বিজ্ঞাপন

বিশেষ সংবাদ নিয়ে আরও পড়ুন-

বিজ্ঞাপন

রাজনীতি নিয়ে গভীরতর ধারণার জন্য আরও পড়ুন-

🌟 আমাদের সাথে যুক্ত থাকতে এখনই সাবস্ক্রাইব করুন