Editorial News 24

আবারও উত্তপ্ত জেনেভা ক্যাম্প: মাদক স্পট দখলে হামলা ও লুটপাট

🔔 নতুন তথ্য ও খবর পেতে এখনই আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় যুক্ত হোন।

আবারও উত্তপ্ত জেনেভা ক্যাম্প: মাদক স্পট দখলে হামলা ও লুটপাট রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পে মাদক কারবারিদের আধিপত্য নিয়ে সংঘাত ফের চরমে উঠেছে। প্রতিদিনই ঘটছে হামলা ও লুটপাটের মতো ঘটনা। রাতের অন্ধকারে অস্ত্রধারী গোষ্ঠীর আতঙ্কে সাধারণ বাসিন্দারা দিশেহারা। চলতি বছরে এসব সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১০ জন, যার মধ্যে কয়েকজন শিশু রয়েছে। ক্যাম্পে মাদক ও অস্ত্রবিরোধী প্রায় ৪০টি অভিযান চালানো হলেও পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। গত ১০ মাসে মাদক ও হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন দেড় হাজারের বেশি ব্যক্তি, তবুও অপরাধীদের দৌরাত্ম্য থামছে না। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) ক্যাম্পবাসীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে দুর্বল হয়ে পড়েছে বুনিয়া সোহেলের গ্রুপ। এই সুযোগে শক্তি বাড়িয়েছে ৪ নম্বর সেক্টর নিয়ন্ত্রণকারী চুয়া সেলিমের গ্রুপ। সম্প্রতি চুয়া সেলিমের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে পরিচিত মাদক কারবারি পার মুন, পিচ্চি রাজা, শাহ আলম ও ইমতিয়াজ। তারা এখন সম্মিলিতভাবে ৭ নম্বর সেক্টর দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে। গত কয়েক দিন ভোররাতে সেখানে ধারাবাহিক হামলায় আতঙ্কে রাত কাটাচ্ছেন স্থানীয়রা। শুধু কয়েক দিনের মধ্যেই রাতের অন্ধকারে ওই সেক্টরের অন্তত ৩০টি বাড়িতে হামলা ও লুটপাট হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাতে ‘কসাই সুমিদ’ নামে ২৪ বছর বয়সী এক তরুণকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে মাদক কারবারিরা। তিনি একই সেক্টরের জি ব্লকের বাসিন্দা সালামের ছেলে। বুনিয়া সোহেলের সহযোগী সন্দেহে তাকে এ হামলার শিকার হতে হয়। সুমিদের বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তবে প্রাণনাশের ভয়ে হামলাকারীদের বিষয়ে কোনো তথ্য প্রকাশ করেননি এবং ঘটনার তিন দিন পরও থানায় অভিযোগ করতে সাহস পাননি। জেনেভা ক্যাম্পে চলমান সহিংসতায় আতঙ্কে থাকা বাসিন্দারা দ্রুত স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।
Picture of Desk Reporter

Desk Reporter

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পে মাদক কারবারিদের আধিপত্য নিয়ে সংঘাত ফের চরমে উঠেছে। প্রতিদিনই ঘটছে হামলা ও লুটপাটের মতো ঘটনা। রাতের অন্ধকারে অস্ত্রধারী গোষ্ঠীর আতঙ্কে সাধারণ বাসিন্দারা দিশেহারা। চলতি বছরে এসব সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১০ জন, যার মধ্যে কয়েকজন শিশু রয়েছে।

ক্যাম্পে মাদক ও অস্ত্রবিরোধী প্রায় ৪০টি অভিযান চালানো হলেও পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। গত ১০ মাসে মাদক ও হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন দেড় হাজারের বেশি ব্যক্তি, তবুও অপরাধীদের দৌরাত্ম্য থামছে না।

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) ক্যাম্পবাসীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে দুর্বল হয়ে পড়েছে বুনিয়া সোহেলের গ্রুপ। এই সুযোগে শক্তি বাড়িয়েছে ৪ নম্বর সেক্টর নিয়ন্ত্রণকারী চুয়া সেলিমের গ্রুপ।

সম্প্রতি চুয়া সেলিমের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে পরিচিত মাদক কারবারি পার মুন, পিচ্চি রাজা, শাহ আলম ও ইমতিয়াজ। তারা এখন সম্মিলিতভাবে ৭ নম্বর সেক্টর দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে। গত কয়েক দিন ভোররাতে সেখানে ধারাবাহিক হামলায় আতঙ্কে রাত কাটাচ্ছেন স্থানীয়রা। শুধু কয়েক দিনের মধ্যেই রাতের অন্ধকারে ওই সেক্টরের অন্তত ৩০টি বাড়িতে হামলা ও লুটপাট হয়েছে।

গত মঙ্গলবার রাতে ‘কসাই সুমিদ’ নামে ২৪ বছর বয়সী এক তরুণকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে মাদক কারবারিরা। তিনি একই সেক্টরের জি ব্লকের বাসিন্দা সালামের ছেলে। বুনিয়া সোহেলের সহযোগী সন্দেহে তাকে এ হামলার শিকার হতে হয়।

সুমিদের বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তবে প্রাণনাশের ভয়ে হামলাকারীদের বিষয়ে কোনো তথ্য প্রকাশ করেননি এবং ঘটনার তিন দিন পরও থানায় অভিযোগ করতে সাহস পাননি।

জেনেভা ক্যাম্পে চলমান সহিংসতায় আতঙ্কে থাকা বাসিন্দারা দ্রুত স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।

হামলা থেকে এমন কি বাদ যায়নি শীর্ষ মাদক কারবারি বুনিয়া সোহেল ও তার আত্মীয় স্বজনদের বাড়িও। র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকা বুনিয়া সোহেলের বড় ভাই টুনটুনের বাড়িতে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে হামলা ও লুটপাট চালানো হয়েছে। সেই লুটপাটের একাধিক ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ঘুরে কোথাও কোনো কিছু অক্ষত নেই। হাঁড়িপাতিল ও আসবাবপত্র ভেঙে টুকরো টুকরো করে ফেলা হয়েছে। লুট করা হয়েছে মূল্যবান সব সামগ্রী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতের অন্ধকারে এই হামলার নেপথ্যে শীর্ষ মাদক কারবারি ও জেনেভা ক্যাম্পের অন্যতম হেরোইন সাপ্লাইকারি আরিফ ওরফে চাপা আরিফ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানে বুনিয়া সোহেলের মাদকের কারবারে ভাটা পড়েছে। ফলে আরিফের মাদকের কারবারের গতি হারায়। এরপর ৪ নম্বর সেক্টরের চুয়া সেমিল গ্রুপের পার মুন, পিচ্চি রাজা, শাহ আলম ও ইমতিয়াজ গ্রুপকে হাতে নেয় চাপা আরিফ। তার মাদকের কারবার চালাতে এবার পুরো ক্যাম্প দখলে সহযোগীর নামে রাতের অন্ধকারে অস্ত্রধারীদের দিয়ে বাড়ি ঘরে হামলা ও লুটপাট চালানো হচ্ছে। এই গ্রুপ এবার ৭ নম্বর সেক্টরসহ পুরো ক্যাম্প দখলে নিয়ে মাদকের সামরাজ্য বিস্তার করা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

হামলার নেতৃত্বে যারা : রাতের অন্ধকারে প্রতিপক্ষের ওপর হামলার রেশ থেকে বাদ যাচ্ছে না সাধারণ মানুষও। সারাদিনের ক্লান্তি শেষে নিরাপদে ঘুমাতে পারছেন না বাসিন্দারা। ভুক্তভোগীরা বলছেন, ক্যাম্পের দক্ষিণ পাশের ৪ নম্বর সেক্টরের শীর্ষ মাদক কারবারি পার মনু, পিচ্চি রাজা, চুয়া সেলিম, শাহ আলম, ইমতিয়াজ এই হামলার নেতৃত্ব দিচ্ছে। তাদের নেতৃত্বে লালন, রনি, তারেক, মাওরা রাসেল, টুকি, সামির, বিকি, ফেরদৌস, চুয়া সেলিম, নেতা সামির, চেম্বার রাজ, সুমন, পিচ্চি রাজা, আদিল, ফাইজান, নওশাদ, বেলুন অস্ত্র হাতে হামলা ও লুটপাট চালানো হচ্ছে।

জোরালোভাবে সুপারিশকৃত -

সাম্প্রতিক পোস্ট -

বিজ্ঞাপন

বিশেষ সংবাদ নিয়ে আরও পড়ুন-

বিজ্ঞাপন

রাজনীতি নিয়ে গভীরতর ধারণার জন্য আরও পড়ুন-

🌟 আমাদের সাথে যুক্ত থাকতে এখনই সাবস্ক্রাইব করুন